সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাঁর পেশাদারিত্ব, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ইতোমধ্যে একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
পুলিশ সূত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রায়গঞ্জ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি নিয়মিতভাবে থানার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, বিশেষ অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করেছেন। যেকোনো অপরাধ সংঘটনের পর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা এবং আসামি গ্রেফতারে তাঁর প্রত্যক্ষ তদারকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সম্প্রতি সময়ে রায়গঞ্জে সংঘটিত বেশ কয়েকটি আলোচিত ধর্ষণ, হত্যা, ছিনতাই, মাদক কারবার, চুরি, সংঘর্ষ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আধুনিক তথ্য-পযুক্তির ব্যবহার এবং পুলিশি নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
শুধু অপরাধ দমনই নয়, রায়গঞ্জবাসীর জনদুর্ভোগ কমাতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান। উপজেলার ভুইয়াগাঁতী, চান্দাইকোনা, ধানগড়া ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজারসহ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যানজট নিরসনে তাঁর নির্দেশে বিশেষ টহল ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধভাবে সড়ক দখল, যানবাহনের বিশৃঙ্খল পার্কিং এবং জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।"অপরাধীদের কোনো দল নেই। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে রায়গঞ্জবাসীকে একটি নিরাপদ উপজেলা উপহার দিতে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।"
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তাঁর নেতৃত্বে রায়গঞ্জ সার্কেলের পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব, অপপ্রচার কিংবা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ঘটনার ক্ষেত্রেও পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে রেখেছেন তিনি। কোনো ঘটনা ঘটলেই দ্রুত প্রকৃত তথ্য যাচাই করে জনগণকে অবহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের অনেকেই মনে করেন, পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতে সাইফুল ইসলাম খানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রায়ই জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ নেন। ফলে সাধারণ মানুষ পুলিশি সেবা গ্রহণে আগের তুলনায় অনেক বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, বর্তমানে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আইন প্রয়োগে নিরপেক্ষতার কারণে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রায়গঞ্জে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসনের চলমান কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই রায়গঞ্জবাসীর কাছে একজন কর্মঠ, দক্ষ ও সফল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাঁর পেশাদারিত্ব, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ইতোমধ্যে একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
পুলিশ সূত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রায়গঞ্জ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি নিয়মিতভাবে থানার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, বিশেষ অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করেছেন। যেকোনো অপরাধ সংঘটনের পর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা এবং আসামি গ্রেফতারে তাঁর প্রত্যক্ষ তদারকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সম্প্রতি সময়ে রায়গঞ্জে সংঘটিত বেশ কয়েকটি আলোচিত ধর্ষণ, হত্যা, ছিনতাই, মাদক কারবার, চুরি, সংঘর্ষ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আধুনিক তথ্য-পযুক্তির ব্যবহার এবং পুলিশি নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
শুধু অপরাধ দমনই নয়, রায়গঞ্জবাসীর জনদুর্ভোগ কমাতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান। উপজেলার ভুইয়াগাঁতী, চান্দাইকোনা, ধানগড়া ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজারসহ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যানজট নিরসনে তাঁর নির্দেশে বিশেষ টহল ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধভাবে সড়ক দখল, যানবাহনের বিশৃঙ্খল পার্কিং এবং জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।"অপরাধীদের কোনো দল নেই। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে রায়গঞ্জবাসীকে একটি নিরাপদ উপজেলা উপহার দিতে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।"
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তাঁর নেতৃত্বে রায়গঞ্জ সার্কেলের পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব, অপপ্রচার কিংবা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ঘটনার ক্ষেত্রেও পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে রেখেছেন তিনি। কোনো ঘটনা ঘটলেই দ্রুত প্রকৃত তথ্য যাচাই করে জনগণকে অবহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের অনেকেই মনে করেন, পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতে সাইফুল ইসলাম খানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রায়ই জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ নেন। ফলে সাধারণ মানুষ পুলিশি সেবা গ্রহণে আগের তুলনায় অনেক বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, বর্তমানে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আইন প্রয়োগে নিরপেক্ষতার কারণে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রায়গঞ্জে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসনের চলমান কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই রায়গঞ্জবাসীর কাছে একজন কর্মঠ, দক্ষ ও সফল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন