সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের কড়িলাবাড়ি বটতলা থেকে শৈলী সবলা গ্রাম পর্যন্ত সংযোগকারী রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘকাল ধরে সংস্কারের অভাবে রাস্তাটির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, স্থানীয় পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি শুধু শৈলী সবলা গ্রামের মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং এর ওপর নির্ভর করে কড়িলাবাড়ি, কুড়িগাতি, আবুদিয়া, শৈলী সবলা এবং জোলাগাতি—এই পাঁচটি গ্রামের মানুষ। প্রতিদিন শত শত মানুষ বিশেষ প্রয়োজনে, কর্মস্থলে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য এই পথটি ব্যবহার করেন। কিন্তু রাস্তার পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা-জলে একাকার হয়ে যায়, যার ফলে সাইকেল বা মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়ে। আবার শুষ্ক মৌসুমে বা শীতকালে রাস্তার ধুলাবালি বাতাসে উড়ে পরিবেশ দূষিত করে এবং পথচারীদের চোখের সমস্যা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীরা। জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা থাকে না। অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য কোনো যানবাহন এই পথে প্রবেশ করতে চায় না। ফলে মুমূর্ষু রোগীকে কাঁধে বা ভ্যানে করে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়, যা অনেক সময় রোগীর জীবনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের যাতায়াতের সময় চরম আতঙ্ক ও ঝুঁকির মুখে থাকতে হয় স্থানীয় পরিবারগুলোকে।
ভুক্তভোগী গ্রামবাসী জানান, জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার ধরণা দিয়েও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। রাস্তাটি পাকা করা বা দ্রুত সংস্কারের দাবি দীর্ঘদিন ধরে থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে এই রাস্তাটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এবং দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি অতি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে প্রস্তাব আকারে পাঠালে রাস্তাটি সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের কড়িলাবাড়ি বটতলা থেকে শৈলী সবলা গ্রাম পর্যন্ত সংযোগকারী রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘকাল ধরে সংস্কারের অভাবে রাস্তাটির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, স্থানীয় পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি শুধু শৈলী সবলা গ্রামের মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং এর ওপর নির্ভর করে কড়িলাবাড়ি, কুড়িগাতি, আবুদিয়া, শৈলী সবলা এবং জোলাগাতি—এই পাঁচটি গ্রামের মানুষ। প্রতিদিন শত শত মানুষ বিশেষ প্রয়োজনে, কর্মস্থলে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য এই পথটি ব্যবহার করেন। কিন্তু রাস্তার পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা-জলে একাকার হয়ে যায়, যার ফলে সাইকেল বা মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়ে। আবার শুষ্ক মৌসুমে বা শীতকালে রাস্তার ধুলাবালি বাতাসে উড়ে পরিবেশ দূষিত করে এবং পথচারীদের চোখের সমস্যা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীরা। জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা থাকে না। অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য কোনো যানবাহন এই পথে প্রবেশ করতে চায় না। ফলে মুমূর্ষু রোগীকে কাঁধে বা ভ্যানে করে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়, যা অনেক সময় রোগীর জীবনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের যাতায়াতের সময় চরম আতঙ্ক ও ঝুঁকির মুখে থাকতে হয় স্থানীয় পরিবারগুলোকে।
ভুক্তভোগী গ্রামবাসী জানান, জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার ধরণা দিয়েও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। রাস্তাটি পাকা করা বা দ্রুত সংস্কারের দাবি দীর্ঘদিন ধরে থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে এই রাস্তাটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এবং দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি অতি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে প্রস্তাব আকারে পাঠালে রাস্তাটি সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন