জরিমানা, এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিনের যন্ত্রাংশ জব্দ কিংবা নিয়মিত মামলা—কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না তিন ফসলি ও আবাদযোগ্য উর্বর জমিতে পুকুর খননের মহোৎসব। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় অতিরিক্ত মুনাফার লোভে প্রভাবশালী ও অসাধু একটি চক্র স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাত-দিন সমানতালে এই ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার কাজিপুর গ্রামে প্রায় ১০ বিঘা আবাদযোগ্য ফসলি জমিতে প্রকাশ্যেই চলছে অবৈধভাবে পুকুর খনন। এর ফলে একদিকে যেমন কমছে খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা, অন্যদিকে আশপাশের জমিগুলো জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে জরিমানা বা যন্ত্রাংশ জব্দ করা হলেও, অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই আবার দ্বিগুণ উৎসাহে শুরু হয় খনন কাজ। প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ভয়ে সাধারণ কৃষকরা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
ফসলি জমি রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তাড়াশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. জেড. এম নাহিদ হোসেন বলেন,"ফসলি জমি নষ্ট করে কোনোভাবেই পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি, জরিমানা করছি এবং ভেকু মেশিনের যন্ত্রাংশও জব্দ করা হচ্ছে। কাজিপুর গ্রামে ১০ বিঘা জমিতে পুকুর খননের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অসাধু ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই উচ্ছেদ ও শাস্তিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, এভাবে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করায় তাড়াশ অঞ্চলে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া, পুকুর খননের মাটি পরিবহনের কারণে গ্রামীণ রাস্তাঘাটগুলোও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল ফসলি জমি রক্ষায় কেবল সাময়িক জরিমানা নয়, বরং জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
জরিমানা, এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিনের যন্ত্রাংশ জব্দ কিংবা নিয়মিত মামলা—কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না তিন ফসলি ও আবাদযোগ্য উর্বর জমিতে পুকুর খননের মহোৎসব। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় অতিরিক্ত মুনাফার লোভে প্রভাবশালী ও অসাধু একটি চক্র স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাত-দিন সমানতালে এই ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার কাজিপুর গ্রামে প্রায় ১০ বিঘা আবাদযোগ্য ফসলি জমিতে প্রকাশ্যেই চলছে অবৈধভাবে পুকুর খনন। এর ফলে একদিকে যেমন কমছে খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা, অন্যদিকে আশপাশের জমিগুলো জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে জরিমানা বা যন্ত্রাংশ জব্দ করা হলেও, অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই আবার দ্বিগুণ উৎসাহে শুরু হয় খনন কাজ। প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ভয়ে সাধারণ কৃষকরা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
ফসলি জমি রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তাড়াশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. জেড. এম নাহিদ হোসেন বলেন,"ফসলি জমি নষ্ট করে কোনোভাবেই পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি, জরিমানা করছি এবং ভেকু মেশিনের যন্ত্রাংশও জব্দ করা হচ্ছে। কাজিপুর গ্রামে ১০ বিঘা জমিতে পুকুর খননের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অসাধু ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই উচ্ছেদ ও শাস্তিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, এভাবে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করায় তাড়াশ অঞ্চলে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া, পুকুর খননের মাটি পরিবহনের কারণে গ্রামীণ রাস্তাঘাটগুলোও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল ফসলি জমি রক্ষায় কেবল সাময়িক জরিমানা নয়, বরং জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন