সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় একটি মিনি পতিতালয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই যৌনকর্মী ও খদ্দেররা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
সোমবার সকালে উপজেলার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের চরহামকুড়িয়া এলাকার ৯ নম্বর ব্রিজের পাশে অবস্থিত ‘বুড়ির বাড়ি’ নামক একটি বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরহামকুড়িয়া এলাকার ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছিল। দূর-দূরান্ত থেকে আসা নারী ও পুরুষদের এনে এখানে মিনি পতিতালয় গড়ে তোলা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছিল।
আজ সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাড়াশ থানা পুলিশের একটি দল ওই বাড়িতে আকস্মিক হানা দেয়। তবে বাড়ির চারপাশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সোর্সদের মাধ্যমে পুলিশের আসার খবর আগেই পেয়ে যায় ভেতরে থাকা অপরাধীরা। ফলে পুলিশ দেয়াল ও গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই পেছনের দরজা দিয়ে যৌনকর্মী, খদ্দের এবং এর পরিচালনাকারীরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ ঘরের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে অসামাজিক কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত ও বেশ কিছু জিনিসপত্র জব্দ করেছে। তাড়াশ থানা পুলিশ জানায়, বাড়িটি আপাতদৃষ্টিতে তালাবদ্ধ ও জনশূন্য মনে হলেও ভেতরে অনৈতিক কাজের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,পুলিশ আসার খবর কোনোভাবে তারা আগেভাগেই পেয়ে যায়, যার কারণে এবার তারা পার পেয়ে গেল। এই চক্রটি এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। আমরা চাই এই মিনি পতিতালয়টি চিরতরে বন্ধ করা হোক এবং এর মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, অপরাধীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও এই চক্রের মূল হোতা এবং জড়িতদের পরিচয় আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তাড়াশ উপজেলাকে যেকোনো ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত রাখতে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় একটি মিনি পতিতালয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই যৌনকর্মী ও খদ্দেররা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
সোমবার সকালে উপজেলার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের চরহামকুড়িয়া এলাকার ৯ নম্বর ব্রিজের পাশে অবস্থিত ‘বুড়ির বাড়ি’ নামক একটি বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরহামকুড়িয়া এলাকার ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছিল। দূর-দূরান্ত থেকে আসা নারী ও পুরুষদের এনে এখানে মিনি পতিতালয় গড়ে তোলা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছিল।
আজ সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাড়াশ থানা পুলিশের একটি দল ওই বাড়িতে আকস্মিক হানা দেয়। তবে বাড়ির চারপাশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সোর্সদের মাধ্যমে পুলিশের আসার খবর আগেই পেয়ে যায় ভেতরে থাকা অপরাধীরা। ফলে পুলিশ দেয়াল ও গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই পেছনের দরজা দিয়ে যৌনকর্মী, খদ্দের এবং এর পরিচালনাকারীরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ ঘরের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে অসামাজিক কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত ও বেশ কিছু জিনিসপত্র জব্দ করেছে। তাড়াশ থানা পুলিশ জানায়, বাড়িটি আপাতদৃষ্টিতে তালাবদ্ধ ও জনশূন্য মনে হলেও ভেতরে অনৈতিক কাজের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,পুলিশ আসার খবর কোনোভাবে তারা আগেভাগেই পেয়ে যায়, যার কারণে এবার তারা পার পেয়ে গেল। এই চক্রটি এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। আমরা চাই এই মিনি পতিতালয়টি চিরতরে বন্ধ করা হোক এবং এর মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, অপরাধীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও এই চক্রের মূল হোতা এবং জড়িতদের পরিচয় আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তাড়াশ উপজেলাকে যেকোনো ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত রাখতে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন