দৈনিক লাল বার্তা

উত্তরের ঈদযাত্রা ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা সেতু পার হলো ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫ যানবাহন



উত্তরের ঈদযাত্রা ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা সেতু পার হলো ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫ যানবাহন

পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তে ঘরে ফিরছেন লাখো মানুষ। ঈদযাত্রাকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। এর প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতেও। প্রতিদিনই বাড়ছে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা, ভাঙছে আগের দিনের রেকর্ড। ঈদ সামনে রেখে গত ৪৮ ঘণ্টায় সেতুটি ব্যবহার করেছে ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫টি যানবাহন।

যমুনা সেতু সাইট অফিস ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের দৈনিক টোল আদায়ের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩৬ হাজার ৪২৬টি এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ১৯ হাজার ৮১৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন সেতু ব্যবহার করে। এ সময় টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা।

অন্যদিকে সোমবার (২৫ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩২ হাজার ১৮৬টি এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ২১ হাজার ৬০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। দুই প্রান্ত মিলিয়ে ওইদিন মোট ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন সেতু ব্যবহার করে। এ সময় টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।

দুই দিনের হিসাবে যমুনা সেতুর দুই প্রান্ত দিয়ে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। একই সময়ে টোল আদায় হয়েছে ৭ কোটি ৬০ লাখ ৫৫ হাজার ২৫০ টাকা।

এদিকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়লেও যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড় তথা সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে এখন পর্যন্ত বড় কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়, কোনাবাড়ি মোড়, সায়দাবাদ, কড্ডার মোড়, নলকা ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, সেতুর উভয় প্রান্তে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতু। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


উত্তরের ঈদযাত্রা ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা সেতু পার হলো ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫ যানবাহন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image



পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তে ঘরে ফিরছেন লাখো মানুষ। ঈদযাত্রাকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। এর প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতেও। প্রতিদিনই বাড়ছে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা, ভাঙছে আগের দিনের রেকর্ড। ঈদ সামনে রেখে গত ৪৮ ঘণ্টায় সেতুটি ব্যবহার করেছে ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫টি যানবাহন।


যমুনা সেতু সাইট অফিস ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের দৈনিক টোল আদায়ের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩৬ হাজার ৪২৬টি এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ১৯ হাজার ৮১৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন সেতু ব্যবহার করে। এ সময় টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা।


অন্যদিকে সোমবার (২৫ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩২ হাজার ১৮৬টি এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ২১ হাজার ৬০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। দুই প্রান্ত মিলিয়ে ওইদিন মোট ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন সেতু ব্যবহার করে। এ সময় টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।


দুই দিনের হিসাবে যমুনা সেতুর দুই প্রান্ত দিয়ে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। একই সময়ে টোল আদায় হয়েছে ৭ কোটি ৬০ লাখ ৫৫ হাজার ২৫০ টাকা।


এদিকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়লেও যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড় তথা সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে এখন পর্যন্ত বড় কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়, কোনাবাড়ি মোড়, সায়দাবাদ, কড্ডার মোড়, নলকা ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, সেতুর উভয় প্রান্তে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।


প্রসঙ্গত, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতু। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা