সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম।
সোমবার (১৫ জুন) কাজিপুরের সোনামুখী, মেঘাই, আলমপুর, ঢেকুরিয়া, শিমুলদাইড়, হরিনাথপুর ও সিমান্তবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ থেকে ২৯ টাকা, পটল ২০ থেকে ২৫ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মেঘাই বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী শাহীন বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই কাজিপুরে বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭০০ টাকা ও খাসির মাংস ৯০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
সোনামুখী মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১৫০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে যমুনার মাছের দামও।
সিমান্তবাজারে বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম।
সোমবার (১৫ জুন) কাজিপুরের সোনামুখী, মেঘাই, আলমপুর, ঢেকুরিয়া, শিমুলদাইড়, হরিনাথপুর ও সিমান্তবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ থেকে ২৯ টাকা, পটল ২০ থেকে ২৫ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মেঘাই বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী শাহীন বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই কাজিপুরে বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭০০ টাকা ও খাসির মাংস ৯০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
সোনামুখী মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১৫০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে যমুনার মাছের দামও।
সিমান্তবাজারে বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন