সিরাজগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার) স্যারের নির্দেশনায় রায়গঞ্জ উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থী, বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের পথে এবং ক্যাম্পাস এলাকায় যেকোনো ধরনের উত্ত্যক্তকরণ ও হয়রানি প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ সোমবার একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ। খৈচালা আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় আঙিনায় বখাটেদের উপদ্রবের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। অভিযোগ পাওয়ার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে তারা সংশ্লিষ্ট এলাকাকে বখাটে ও উত্ত্যক্তকারীদের প্রভাবমুক্ত করেন। পুলিশের এই দ্রুত ও কার্যকর তৎপরতায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “স্কুল ক্যাম্পাস বা যাতায়াতের পথে কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবক হয়রানির শিকার হলে আমাদের দ্রুত জানান। আপনারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করুন অথবা সরাসরি স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করুন। কিশোর অপরাধ ও বখাটেদের আড্ডার তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করুন।”
তিনি আরও দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “রায়গঞ্জ থানা পুলিশ এই অশুভ চক্র নির্মূলে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের একটি সুন্দর, ভীতিমুক্ত ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন উপহার দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা শতভাগ তৎপর এবং এ ক্ষেত্রে কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারপাশে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হলে তৎক্ষণাৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রায়গঞ্জ উপজেলাজুড়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার) স্যারের নির্দেশনায় রায়গঞ্জ উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থী, বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের পথে এবং ক্যাম্পাস এলাকায় যেকোনো ধরনের উত্ত্যক্তকরণ ও হয়রানি প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ সোমবার একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ। খৈচালা আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় আঙিনায় বখাটেদের উপদ্রবের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। অভিযোগ পাওয়ার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে তারা সংশ্লিষ্ট এলাকাকে বখাটে ও উত্ত্যক্তকারীদের প্রভাবমুক্ত করেন। পুলিশের এই দ্রুত ও কার্যকর তৎপরতায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “স্কুল ক্যাম্পাস বা যাতায়াতের পথে কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবক হয়রানির শিকার হলে আমাদের দ্রুত জানান। আপনারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করুন অথবা সরাসরি স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করুন। কিশোর অপরাধ ও বখাটেদের আড্ডার তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করুন।”
তিনি আরও দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “রায়গঞ্জ থানা পুলিশ এই অশুভ চক্র নির্মূলে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের একটি সুন্দর, ভীতিমুক্ত ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন উপহার দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা শতভাগ তৎপর এবং এ ক্ষেত্রে কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারপাশে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হলে তৎক্ষণাৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রায়গঞ্জ উপজেলাজুড়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন