সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানাধীন ঘুরকা ইউনিয়নের দাদপুর দাসপাড়া এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হানিফ শেখ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ জুন, ২০২৬) ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত হানিফ শেখ একই এলাকার আবু বক্কর শেখের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, হানিফ বিভিন্ন সময়ে কৌশলে শিশুটিকে বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার কথা কাউকে জানালে শিশুটিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় সে এতদিন ভয়ে বিষয়টি গোপন রেখেছিল।
কিছুদিন ধরে শিশুটির অস্বাভাবিক আচরণ ও শারীরিক অসুস্থতা লক্ষ্য করে তার মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর শিশুটি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিলে পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা কৌশলে অভিযুক্ত হানিফকে বিদ্যালয়ের পাশে ডেকে এনে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আটকে রাখেন। তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে সলঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশের বক্তব্য:
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করেছে। ভুক্তভোগী ও তার অভিভাবকদের থানায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানাধীন ঘুরকা ইউনিয়নের দাদপুর দাসপাড়া এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হানিফ শেখ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ জুন, ২০২৬) ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত হানিফ শেখ একই এলাকার আবু বক্কর শেখের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, হানিফ বিভিন্ন সময়ে কৌশলে শিশুটিকে বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার কথা কাউকে জানালে শিশুটিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় সে এতদিন ভয়ে বিষয়টি গোপন রেখেছিল।
কিছুদিন ধরে শিশুটির অস্বাভাবিক আচরণ ও শারীরিক অসুস্থতা লক্ষ্য করে তার মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর শিশুটি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিলে পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা কৌশলে অভিযুক্ত হানিফকে বিদ্যালয়ের পাশে ডেকে এনে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আটকে রাখেন। তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে সলঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশের বক্তব্য:
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করেছে। ভুক্তভোগী ও তার অভিভাবকদের থানায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন