সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই হাওয়ায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ আবু হাসেম। উপজেলার আবুদিয়া গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান তিনি। দীর্ঘদিনের ইউপি সদস্য হিসেবে তার পিতা এলাকার মানুষের সেবায় যে আদর্শ রেখে গেছেন, সেই পথ ধরেই আবু হাসেম নিজেও ধানগড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক মোঃ আবু হাসেম সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য একটি নাম। নির্বাচনের ঘোষণার অনেক আগে থেকেই তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করছেন। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তার এই নিরলস গণসংযোগ এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
শুধু কথার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে আবু হাসেম প্রমাণ করছেন কাজের মাধ্যমে। ধানগড়া ইউনিয়নের অনেক রাস্তাঘাট দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলিত ও জরাজীর্ণ থাকায় স্থানীয়দের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। এই দুর্গতি লাঘবে আবু হাসেম ব্যক্তিগত অর্থায়নে ও নিজস্ব উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তায় ইটের রাবিশ ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুলছেন। তার এমন মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মোঃ আবু হাসেম বলেন, "আমি নির্বাচন করার জন্য আসিনি, মানুষের সেবা করার জন্য এসেছি। আমার বাবা আজীবন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। আমি সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চাই। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ধানগড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। এলাকার অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের সুখে-দুঃখে আমি আগে যেভাবে ছিলাম, ভবিষ্যতেও সেভাবেই তাদের পাশে থাকব।"
স্থানীয় ভোটাররা জানান, আবু হাসেম কেবল একজন সম্ভাব্য প্রার্থী নন, তিনি সাধারণ মানুষের ভরসার একটি প্রতীক। তিনি যেভাবে নিঃস্বার্থভাবে রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিচ্ছেন, তাতে তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
সততা, নিষ্ঠা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে মাঠে থাকা মোঃ আবু হাসেমকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। আসন্ন নির্বাচনে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে একজন পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে তারা তাকেই যোগ্য মনে করছেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই হাওয়ায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ আবু হাসেম। উপজেলার আবুদিয়া গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান তিনি। দীর্ঘদিনের ইউপি সদস্য হিসেবে তার পিতা এলাকার মানুষের সেবায় যে আদর্শ রেখে গেছেন, সেই পথ ধরেই আবু হাসেম নিজেও ধানগড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক মোঃ আবু হাসেম সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য একটি নাম। নির্বাচনের ঘোষণার অনেক আগে থেকেই তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করছেন। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তার এই নিরলস গণসংযোগ এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
শুধু কথার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে আবু হাসেম প্রমাণ করছেন কাজের মাধ্যমে। ধানগড়া ইউনিয়নের অনেক রাস্তাঘাট দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলিত ও জরাজীর্ণ থাকায় স্থানীয়দের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। এই দুর্গতি লাঘবে আবু হাসেম ব্যক্তিগত অর্থায়নে ও নিজস্ব উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তায় ইটের রাবিশ ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুলছেন। তার এমন মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মোঃ আবু হাসেম বলেন, "আমি নির্বাচন করার জন্য আসিনি, মানুষের সেবা করার জন্য এসেছি। আমার বাবা আজীবন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। আমি সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চাই। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ধানগড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। এলাকার অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের সুখে-দুঃখে আমি আগে যেভাবে ছিলাম, ভবিষ্যতেও সেভাবেই তাদের পাশে থাকব।"
স্থানীয় ভোটাররা জানান, আবু হাসেম কেবল একজন সম্ভাব্য প্রার্থী নন, তিনি সাধারণ মানুষের ভরসার একটি প্রতীক। তিনি যেভাবে নিঃস্বার্থভাবে রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিচ্ছেন, তাতে তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
সততা, নিষ্ঠা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে মাঠে থাকা মোঃ আবু হাসেমকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। আসন্ন নির্বাচনে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে একজন পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে তারা তাকেই যোগ্য মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন