সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কৃষকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে আটটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।
চুরি যাওয়া গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় আট লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হায়দার আলী।
রবিবার(১৩ সেপ্টেম্বর) রাত দুইটার পর যেকোনো সময় গরুগুলো চুরি হয়েছে এমন অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগস্ত কৃষকের ছেলে জাহিদ হাসান।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জানা যায়, তাড়াশ পৌরসভার খুটিগাছা গ্রামের কৃষক হায়দার আলীর গোয়ালঘরে রাখা ছিল গরুগুলো। গত রাতে দুর্বৃত্তরা গোয়ালঘরের তালা ভেতশবচঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা আটটি গরু নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে গোয়ালঘরে গিয়ে গরু না পেয়ে বিষয়টি টের পান হায়দার আলী। পরে আশপাশের এলাকায় খোঁজ করেও গরুগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
কৃষক হায়দার আলী বলেন, গরুগুলো তার পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ছিল। একসঙ্গে আটটি গরু চুরি হয়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। এলাকায় গরু চুরির ঘটনা ঠেকাতে রাতের বেলায় পাহারা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে তাড়াশ তাড়াশ থানার অফিসার্স ইনচার্জ ( ওসি)মোঃ ইমাম জাফর জানান,পুলিশ চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে চেষ্টা চালাচ্ছে।
গত মাসে উপজেলার তিনজন কৃষকের ১০টি গরু চুরির ঘটনায় ঘটে। গরু পালনকারী কৃষক ও খামারিদের মাঝে গরু চুরির আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কৃষকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে আটটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।
চুরি যাওয়া গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় আট লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হায়দার আলী।
রবিবার(১৩ সেপ্টেম্বর) রাত দুইটার পর যেকোনো সময় গরুগুলো চুরি হয়েছে এমন অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগস্ত কৃষকের ছেলে জাহিদ হাসান।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জানা যায়, তাড়াশ পৌরসভার খুটিগাছা গ্রামের কৃষক হায়দার আলীর গোয়ালঘরে রাখা ছিল গরুগুলো। গত রাতে দুর্বৃত্তরা গোয়ালঘরের তালা ভেতশবচঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা আটটি গরু নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে গোয়ালঘরে গিয়ে গরু না পেয়ে বিষয়টি টের পান হায়দার আলী। পরে আশপাশের এলাকায় খোঁজ করেও গরুগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
কৃষক হায়দার আলী বলেন, গরুগুলো তার পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ছিল। একসঙ্গে আটটি গরু চুরি হয়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। এলাকায় গরু চুরির ঘটনা ঠেকাতে রাতের বেলায় পাহারা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে তাড়াশ তাড়াশ থানার অফিসার্স ইনচার্জ ( ওসি)মোঃ ইমাম জাফর জানান,পুলিশ চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে চেষ্টা চালাচ্ছে।
গত মাসে উপজেলার তিনজন কৃষকের ১০টি গরু চুরির ঘটনায় ঘটে। গরু পালনকারী কৃষক ও খামারিদের মাঝে গরু চুরির আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন