দৈনিক লাল বার্তা

বারাসাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানায় চায়ের দোকান! সেই ডিগ্রিতে শরণখোলায় চিকিৎসা—লিখিত অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার পরও কার্যক্রম চলমান



বারাসাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানায় চায়ের দোকান! সেই ডিগ্রিতে শরণখোলায় চিকিৎসা—লিখিত অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার পরও কার্যক্রম চলমান

বারাসাতের ঠিকানায় নেই বিশ্ববিদ্যালয়। আছে চায়ের দোকান। অথচ সেই ঠিকানায় থাকা ‘THE OPEN INTERNATIONAL UNIVERSITY FOR COMPLIMENTARY MEDICINES’-এর ডিগ্রি ব্যবহার করে বাগেরহাটের শরণখোলায় চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডা. মাহামুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। তার চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন না থাকার অভিযোগও রয়েছে।


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বারাসাতের হেলাবটতলায় কথিত ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা সরেজমিনে যাচাই করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাননি অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা। সেখানে নেই কোনো একাডেমিক ভবন, সাইনবোর্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থী কিংবা শিক্ষা কার্যক্রমের দৃশ্যমান কোনো চিহ্ন। ঠিকানাটিতে দেখা গেছে একটি চায়ের দোকান। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দাবি, তারা এ নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা কখনো শোনেননি।

অন্যদিকে, ওই প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি ব্যবহার করে শরণখোলা উপজেলার পাঁচরাস্তা মোড়ে গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় চেম্বার করে রোগী দেখানোর অভিযোগ রয়েছে ডা. মাহামুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। ব্যবস্থাপত্রে নিজেকে ‘এমবিবিএস এম’ এবং মেডিসিন, শিশু ও অর্থোপেডিক রোগে অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।


ডা. মাহামুদুল হাসানের চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা নিয়েও রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বাংলাদেশে চিকিৎসা পেশা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিএমডিসি অনুমোদন না থাকার বিষয়টি তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তার চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর বাগেরহাটের সিভিল সার্জনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল বলেও জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা ও লিখিত অভিযোগের পরও কীভাবে তিনি শরণখোলায় রোগী দেখছেন—এ প্রশ্নের জবাব মিলছে না।

ডা. মাহামুদুল হাসানের ডিগ্রি ও চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান পরিচালনা করেন। এ ছাড়া তিনি ভুয়া চিকিৎসক সংক্রান্ত একটি মামলায় ১৯ দিন কারাভোগের পর এলোপ্যাথিক ওষুধ না লেখার মুচলেকা দিয়ে জামিনে বের হয়ে ফের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে মাহামুদ হাসানের বিরুদ্বে।

ডিগ্রি ও চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা যাচাই করতে তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মব সৃষ্টির অভিযোগ ও রয়েছে। এ ঘটনায় ডিবিসি নিউজের বাগেরহাট প্রতিনিধি সৈকত মন্ডল আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, অনুসন্ধানের পর কয়েকজন কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও রাজনৈতিক ব্যক্তির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মূলধারার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়। এমনকি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে দিয়ে সাংবাদিকদের স্ত্রীদের নাম উল্লেখ করে মামলা এবং সাংবাদিকদের হেয় করতে মানববন্ধন আয়োজনেরও অভিযোগ রয়েছে।

সাংবাদিকদের ভাষ্য, তারা কোনো ব্যক্তিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং একটি চিকিৎসা ডিগ্রির বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাংলাদেশে চিকিৎসা দেওয়ার আইনগত অনুমোদন রয়েছে কি না—তা যাচাই করতেই অনুসন্ধানে যান। কিন্তু অনুসন্ধানের পর মামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা ও মানববন্ধনের ঘটনায় স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বারাসাতের হেলাবটলার স্থানীয় বাসিন্দা অমাল দাসসহ কয়েকজন জানান, ‘THE OPEN INTERNATIONAL UNIVERSITY FOR COMPLIMENTARY MEDICINES’ নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা তারা কখনো শোনেননি। ওই ঠিকানায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা কার্যক্রমও তারা দেখেননি।

স্থানীয় বাসিন্দা রাকেশ কান্তি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থাকলে সেখানে ভবন, সাইনবোর্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষা কার্যক্রম থাকার কথা। কিন্তু তারা সেখানে চায়ের দোকান ছাড়া তেমন কিছু দেখেননি। বিষয়টি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

স্বপন কুমার পাল বলেন, তাদের এলাকার কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কেউ ভুয়া সনদ তৈরি করে থাকলে বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড হলে দুই দেশেরই সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

স্থানীয় বিজিপি নেতা গিতিশ মৃধার বলেন, তার জানামতে বারাসাতে ‘THE OPEN INTERNATIONAL UNIVERSITY FOR COMPLIMENTARY MEDICINES’ নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই। ভারতের নাম ও কথিত সনদ ব্যবহার করে কেউ বাংলাদেশে চিকিৎসা দিয়ে থাকলে দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আ.স. মাহবুবুল আলম বলেন, ভুয়া ডাক্তার মাহামুদুল হাসানের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বারাসাতের ঠিকানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে চায়ের দোকান পাওয়ার ঘটনায় এখন ডা. মাহামুদুল হাসানের ব্যবহৃত ডিগ্রির বৈধতা এবং বাংলাদেশে তার চিকিৎসা কার্যক্রমের অনুমোদন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ডা. মাহামুদুল হাসানকে নিয়ে গণমাধ্যমে অসংখ্যবার সংবাদ প্রকাশ সিভিল সার্জন এর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্পষ্ট নির্দেশনা তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের এরপরেও বাগেরহাট প্রশাসন কেন নিরব ।

 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বারাসাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানায় চায়ের দোকান! সেই ডিগ্রিতে শরণখোলায় চিকিৎসা—লিখিত অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার পরও কার্যক্রম চলমান

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image


বারাসাতের ঠিকানায় নেই বিশ্ববিদ্যালয়। আছে চায়ের দোকান। অথচ সেই ঠিকানায় থাকা ‘THE OPEN INTERNATIONAL UNIVERSITY FOR COMPLIMENTARY MEDICINES’-এর ডিগ্রি ব্যবহার করে বাগেরহাটের শরণখোলায় চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডা. মাহামুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। তার চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন না থাকার অভিযোগও রয়েছে।


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বারাসাতের হেলাবটতলায় কথিত ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা সরেজমিনে যাচাই করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাননি অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা। সেখানে নেই কোনো একাডেমিক ভবন, সাইনবোর্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থী কিংবা শিক্ষা কার্যক্রমের দৃশ্যমান কোনো চিহ্ন। ঠিকানাটিতে দেখা গেছে একটি চায়ের দোকান। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দাবি, তারা এ নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা কখনো শোনেননি।


অন্যদিকে, ওই প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি ব্যবহার করে শরণখোলা উপজেলার পাঁচরাস্তা মোড়ে গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় চেম্বার করে রোগী দেখানোর অভিযোগ রয়েছে ডা. মাহামুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। ব্যবস্থাপত্রে নিজেকে ‘এমবিবিএস এম’ এবং মেডিসিন, শিশু ও অর্থোপেডিক রোগে অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।


ডা. মাহামুদুল হাসানের চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা নিয়েও রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বাংলাদেশে চিকিৎসা পেশা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিএমডিসি অনুমোদন না থাকার বিষয়টি তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তার চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর বাগেরহাটের সিভিল সার্জনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল বলেও জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা ও লিখিত অভিযোগের পরও কীভাবে তিনি শরণখোলায় রোগী দেখছেন—এ প্রশ্নের জবাব মিলছে না।


ডা. মাহামুদুল হাসানের ডিগ্রি ও চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান পরিচালনা করেন। এ ছাড়া তিনি ভুয়া চিকিৎসক সংক্রান্ত একটি মামলায় ১৯ দিন কারাভোগের পর এলোপ্যাথিক ওষুধ না লেখার মুচলেকা দিয়ে জামিনে বের হয়ে ফের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে মাহামুদ হাসানের বিরুদ্বে।


ডিগ্রি ও চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা যাচাই করতে তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মব সৃষ্টির অভিযোগ ও রয়েছে। এ ঘটনায় ডিবিসি নিউজের বাগেরহাট প্রতিনিধি সৈকত মন্ডল আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে।


সাংবাদিকদের অভিযোগ, অনুসন্ধানের পর কয়েকজন কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও রাজনৈতিক ব্যক্তির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মূলধারার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়। এমনকি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে দিয়ে সাংবাদিকদের স্ত্রীদের নাম উল্লেখ করে মামলা এবং সাংবাদিকদের হেয় করতে মানববন্ধন আয়োজনেরও অভিযোগ রয়েছে।


সাংবাদিকদের ভাষ্য, তারা কোনো ব্যক্তিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং একটি চিকিৎসা ডিগ্রির বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাংলাদেশে চিকিৎসা দেওয়ার আইনগত অনুমোদন রয়েছে কি না—তা যাচাই করতেই অনুসন্ধানে যান। কিন্তু অনুসন্ধানের পর মামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা ও মানববন্ধনের ঘটনায় স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


বারাসাতের হেলাবটলার স্থানীয় বাসিন্দা অমাল দাসসহ কয়েকজন জানান, ‘THE OPEN INTERNATIONAL UNIVERSITY FOR COMPLIMENTARY MEDICINES’ নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা তারা কখনো শোনেননি। ওই ঠিকানায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা কার্যক্রমও তারা দেখেননি।


স্থানীয় বাসিন্দা রাকেশ কান্তি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থাকলে সেখানে ভবন, সাইনবোর্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষা কার্যক্রম থাকার কথা। কিন্তু তারা সেখানে চায়ের দোকান ছাড়া তেমন কিছু দেখেননি। বিষয়টি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।


স্বপন কুমার পাল বলেন, তাদের এলাকার কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কেউ ভুয়া সনদ তৈরি করে থাকলে বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড হলে দুই দেশেরই সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


স্থানীয় বিজিপি নেতা গিতিশ মৃধার বলেন, তার জানামতে বারাসাতে ‘THE OPEN INTERNATIONAL UNIVERSITY FOR COMPLIMENTARY MEDICINES’ নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই। ভারতের নাম ও কথিত সনদ ব্যবহার করে কেউ বাংলাদেশে চিকিৎসা দিয়ে থাকলে দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।


বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আ.স. মাহবুবুল আলম বলেন, ভুয়া ডাক্তার মাহামুদুল হাসানের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বারাসাতের ঠিকানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে চায়ের দোকান পাওয়ার ঘটনায় এখন ডা. মাহামুদুল হাসানের ব্যবহৃত ডিগ্রির বৈধতা এবং বাংলাদেশে তার চিকিৎসা কার্যক্রমের অনুমোদন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ডা. মাহামুদুল হাসানকে নিয়ে গণমাধ্যমে অসংখ্যবার সংবাদ প্রকাশ সিভিল সার্জন এর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্পষ্ট নির্দেশনা তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের এরপরেও বাগেরহাট প্রশাসন কেন নিরব ।


 


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা