ফরিদপুরের সালথায় এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও বাঁশের সাঁকো দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড়খারদিয়া বলতলা ব্রিজ এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বড়খারদিয়া গ্রামের মুশফিক বিল্লাহ জিহাদ এবং পাশের পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজারের আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই মধ্যে কুমার নদীতে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিকেলজুড়ে চলা এই দফায় দফায় সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতরদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকিদের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সংঘর্ষে নেতৃত্বদানকারী নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের সালথায় এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও বাঁশের সাঁকো দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড়খারদিয়া বলতলা ব্রিজ এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বড়খারদিয়া গ্রামের মুশফিক বিল্লাহ জিহাদ এবং পাশের পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজারের আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই মধ্যে কুমার নদীতে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিকেলজুড়ে চলা এই দফায় দফায় সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতরদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকিদের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সংঘর্ষে নেতৃত্বদানকারী নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন