গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় চার বছরের এক শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মোন্তাজ আলী ওরফে চেংটু (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে ঘটনার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে হাসিলকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় অভিযুক্ত চেংটুর বাড়ি ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগে সে ভুক্তভোগী শিশুটিকে চাপড়া রুটি দেওয়ার কথা বলে ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ সন্তানকে দেখতে না পেয়ে মা ডাকাডাকি শুরু করলে পাশের চেংটুর ঘর থেকে শিশুটির আওয়াজ পান। মা দ্রুত এগিয়ে গেলে চেংটু জামা হাতে ঘর থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, ঘটনার পরপরই শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করে। পরে সন্ধ্যার দিকে অবস্থার অবনতি হলে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীর বাবা শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং মা হাসপাতালে মেয়ের পাশে থাকায় শিশুটির চাচা জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর সাঘাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা (মামলা নং–৮) দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত চেংটু পলাতক রয়েছে। তবে তার পরিবারের দাবি, অভিযোগটি সত্য নয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অভিযুক্তের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাঘাটা থানার এসআই উজ্জ্বল জানান, অভিযুক্ত চেংটুকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় চার বছরের এক শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মোন্তাজ আলী ওরফে চেংটু (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে ঘটনার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে হাসিলকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় অভিযুক্ত চেংটুর বাড়ি ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগে সে ভুক্তভোগী শিশুটিকে চাপড়া রুটি দেওয়ার কথা বলে ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ সন্তানকে দেখতে না পেয়ে মা ডাকাডাকি শুরু করলে পাশের চেংটুর ঘর থেকে শিশুটির আওয়াজ পান। মা দ্রুত এগিয়ে গেলে চেংটু জামা হাতে ঘর থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, ঘটনার পরপরই শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করে। পরে সন্ধ্যার দিকে অবস্থার অবনতি হলে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীর বাবা শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং মা হাসপাতালে মেয়ের পাশে থাকায় শিশুটির চাচা জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর সাঘাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা (মামলা নং–৮) দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত চেংটু পলাতক রয়েছে। তবে তার পরিবারের দাবি, অভিযোগটি সত্য নয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অভিযুক্তের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাঘাটা থানার এসআই উজ্জ্বল জানান, অভিযুক্ত চেংটুকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন