ফরিদপুরে হঠাৎ করে বাড়তে শুরু করেছে হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলাটিতে নতুন করে ৪৮ জন হাম এবং ৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অর্থাৎ একদিনেই দুই রোগে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯ জনে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এ সময় কোনো রোগেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের শুক্রবারের (১১ সেপ্টেম্বর) তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩২ জন এবং অন্যান্য জেলা থেকে ১৬ জনসহ মোট ৪৮ জন নতুন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৭ জন ভর্তি হন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩২ জন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৫ হাজার ৫৪৩ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। বর্তমানে জেলায় চিকিৎসাধীন হাম রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৩০৮ জন। এর মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১ হাজার ৬১৩ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ হাজার ৬৯৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
অন্যদিকে, ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের ১১ই সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ জন, নগরকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন, ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী ভর্তি হন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ জন।
বছরের শুরু থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ৩৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ৮৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চলতি বছরে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
একদিকে হামের ব্যাপক সংক্রমণ এবং অন্যদিকে ডেঙ্গুর বিস্তার—দুটি রোগ একসাথে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা ও হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরে হঠাৎ করে বাড়তে শুরু করেছে হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলাটিতে নতুন করে ৪৮ জন হাম এবং ৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অর্থাৎ একদিনেই দুই রোগে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯ জনে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এ সময় কোনো রোগেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের শুক্রবারের (১১ সেপ্টেম্বর) তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩২ জন এবং অন্যান্য জেলা থেকে ১৬ জনসহ মোট ৪৮ জন নতুন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৭ জন ভর্তি হন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩২ জন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৫ হাজার ৫৪৩ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। বর্তমানে জেলায় চিকিৎসাধীন হাম রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৩০৮ জন। এর মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১ হাজার ৬১৩ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ হাজার ৬৯৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
অন্যদিকে, ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের ১১ই সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ জন, নগরকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন, ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী ভর্তি হন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ জন।
বছরের শুরু থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ৩৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ৮৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চলতি বছরে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
একদিকে হামের ব্যাপক সংক্রমণ এবং অন্যদিকে ডেঙ্গুর বিস্তার—দুটি রোগ একসাথে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা ও হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন