সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের চক মোহনবাড়ী গ্রামের আট বছরের শিশু মোছা. রিমু খাতুন এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে জটিল এক ব্যাধিতে আক্রান্ত রিমুর চোখের মণি এখন অন্ধকারের ছায়ায় ঢাকা। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটি ক্যান্সারে আক্রান্ত। কিন্তু অভাবের সংসারে রিমুর চিকিৎসা এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
রিমুর বাবা রিপন শেখ একজন দিনমজুর। অভাবের সংসারে মেয়েটির অসুস্থতা যেন পাহাড়সম বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রিমুর বাম চোখটি অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গিয়ে কোটর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। এর পাশাপাশি দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে একাধিক হাসপাতালে নেওয়া হলেও টাকার অভাবে মাঝপথেই চিকিৎসা থমকে দাঁড়িয়েছে।
গত ৪ জুলাই 'লাল বার্তা'য় রিমুর অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে রিমুর বাবা রিপন শেখের হাতে ২০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আরও ৬ হাজার ২০০ টাকা অনুদান প্রদান করেছেন।
তবে রিমুর পরিবারের ভাষ্যমতে, এই ২৬ হাজার ২০০ টাকা রিমুর দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার তুলনায় খুবই সামান্য। ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধির জন্য প্রয়োজন আরও উন্নত চিকিৎসা এবং প্রচুর অর্থ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, “মানবিক বিবেচনায় আমরা রিমুর পাশে দাঁড়িয়েছি। তবে শিশুটির জীবন বাঁচাতে যে ধরনের উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন, তা ব্যয়সাপেক্ষ। সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে হয়তো রিমুকে বাঁচানো সম্ভব হবে।”
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রিমুর বাবা রিপন শেখ বলেন, “আমার মেয়েটি মাত্র আট বছর বয়সের। এই বয়সে সে এত কষ্ট পাচ্ছে, যা একজন বাবা হিসেবে মেনে নেওয়া কঠিন। সমাজের সবার সহযোগিতা পেলে হয়তো আমার মেয়েটি সুস্থ হয়ে আবার অন্য দশটা শিশুর মতো বাঁচতে পারবে।”
রিমুর জীবন বাঁচাতে আপনার সামান্য অনুদান হতে পারে তার বাঁচার প্রেরণা। সহায়তার জন্য সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন রিমুর বাবার সঙ্গে:
রিপন শেখ (রিমুর বাবা)
মোবাইল: ০১৭৯২-২৪৭৬৮৬
রিমুর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তার পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। আপনার একটু সাহায্য হয়তো একটি নিষ্পাপ শিশুর হাসিমাখা মুখ ফিরিয়ে দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের চক মোহনবাড়ী গ্রামের আট বছরের শিশু মোছা. রিমু খাতুন এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে জটিল এক ব্যাধিতে আক্রান্ত রিমুর চোখের মণি এখন অন্ধকারের ছায়ায় ঢাকা। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটি ক্যান্সারে আক্রান্ত। কিন্তু অভাবের সংসারে রিমুর চিকিৎসা এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
রিমুর বাবা রিপন শেখ একজন দিনমজুর। অভাবের সংসারে মেয়েটির অসুস্থতা যেন পাহাড়সম বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রিমুর বাম চোখটি অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গিয়ে কোটর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। এর পাশাপাশি দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে একাধিক হাসপাতালে নেওয়া হলেও টাকার অভাবে মাঝপথেই চিকিৎসা থমকে দাঁড়িয়েছে।
গত ৪ জুলাই 'লাল বার্তা'য় রিমুর অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে রিমুর বাবা রিপন শেখের হাতে ২০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আরও ৬ হাজার ২০০ টাকা অনুদান প্রদান করেছেন।
তবে রিমুর পরিবারের ভাষ্যমতে, এই ২৬ হাজার ২০০ টাকা রিমুর দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার তুলনায় খুবই সামান্য। ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধির জন্য প্রয়োজন আরও উন্নত চিকিৎসা এবং প্রচুর অর্থ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, “মানবিক বিবেচনায় আমরা রিমুর পাশে দাঁড়িয়েছি। তবে শিশুটির জীবন বাঁচাতে যে ধরনের উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন, তা ব্যয়সাপেক্ষ। সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে হয়তো রিমুকে বাঁচানো সম্ভব হবে।”
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রিমুর বাবা রিপন শেখ বলেন, “আমার মেয়েটি মাত্র আট বছর বয়সের। এই বয়সে সে এত কষ্ট পাচ্ছে, যা একজন বাবা হিসেবে মেনে নেওয়া কঠিন। সমাজের সবার সহযোগিতা পেলে হয়তো আমার মেয়েটি সুস্থ হয়ে আবার অন্য দশটা শিশুর মতো বাঁচতে পারবে।”
রিমুর জীবন বাঁচাতে আপনার সামান্য অনুদান হতে পারে তার বাঁচার প্রেরণা। সহায়তার জন্য সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন রিমুর বাবার সঙ্গে:
রিপন শেখ (রিমুর বাবা)
মোবাইল: ০১৭৯২-২৪৭৬৮৬
রিমুর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তার পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। আপনার একটু সাহায্য হয়তো একটি নিষ্পাপ শিশুর হাসিমাখা মুখ ফিরিয়ে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন