টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন অন্তত পাঁচ শতাধিক পর্যটক। মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কসহ স্থানীয় একাধিক সড়কের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পর্যটকদের ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় রিসোর্ট মালিকরা।
সাজেক কটেস অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে রিসোর্ট ভাড়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) জানান, আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে শুধুমাত্র পানির খরচ ও ইউটিলিটি বিল নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় খাবারের দোকানগুলোতে সীমিত মূল্যে পর্যটকদের খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। তবে প্রশাসনের এই ঘোষণার আগেই সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকরা সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ফিরতে পারছেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইনী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা ও লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বেশ কিছু অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এর ফলে সাজেকের সাথে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া মেরুং এলাকা ও নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায় সড়কের ওপর পানি ওঠায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধস ও সড়কের মাটি সরে গিয়ে পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কঠোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আটকে পড়া পর্যটকরা নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও রিসোর্ট মালিক সমিতি পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন অন্তত পাঁচ শতাধিক পর্যটক। মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কসহ স্থানীয় একাধিক সড়কের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পর্যটকদের ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় রিসোর্ট মালিকরা।
সাজেক কটেস অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে রিসোর্ট ভাড়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) জানান, আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে শুধুমাত্র পানির খরচ ও ইউটিলিটি বিল নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় খাবারের দোকানগুলোতে সীমিত মূল্যে পর্যটকদের খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। তবে প্রশাসনের এই ঘোষণার আগেই সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকরা সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ফিরতে পারছেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইনী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা ও লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বেশ কিছু অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এর ফলে সাজেকের সাথে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া মেরুং এলাকা ও নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায় সড়কের ওপর পানি ওঠায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধস ও সড়কের মাটি সরে গিয়ে পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কঠোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আটকে পড়া পর্যটকরা নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও রিসোর্ট মালিক সমিতি পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন