সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের চক মোহনবাড়ী গ্রামের ৮ বছর বয়সী ছোট্ট শিশু মোছা. রিমু খাতুন। রঙিন শৈশবে দুরন্তপনায় মেতে থাকার কথা যার, সেই রিমু এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। মরণব্যাধি ক্যান্সার যেন তার অদম্য বাঁচার ইচ্ছাকে কেড়ে নিতে চাইছে।
রিমুর বাবা রিপন শেখ পেশায় একজন অতিদরিদ্র মানুষ। দিনমজুরের আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারটির পক্ষে রিমুর এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব। রিমুর বাম চোখটি অস্বাভাবিকভাবে ফুলে বেরিয়ে এসেছে এবং ক্যান্সারের প্রভাবে তার নাকের ছিদ্র দুটিও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের মতে, তার অবিলম্বে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় ধরে মেয়ের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারটি এখন প্রায় নিঃস্ব।
রিমুর বাবা রিপন শেখ অশ্রুসিক্ত নয়নে জানান, "নিজের সবটুকু সম্বল দিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করার চেষ্টা করছি, কিন্তু এখন আর পারছি না। চোখের সামনে মেয়ের এই যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা আমি কোনো বাবা হিসেবে মেনে নিতে পারছি না।"
সমাজের বিত্তবান মানুষ, বিভিন্ন মানবিক সংগঠন ও প্রবাসীদের কাছে রিমুর পরিবারের আকুল আবেদন—আসুন, আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে রিমুর পাশে দাঁড়াই। আপনার বাড়িয়ে দেওয়া একটি সহায়তার হাত হয়তো একটি নিষ্পাপ শিশুর মুখে আবারও হাসি ফোটাতে পারে, ফিরিয়ে আনতে পারে তার জীবনের আলো।
মনে রাখবেন, আপনার সামান্য সহায়তা এই মুহূর্তে রিমুর পরিবারের জন্য অনেক বড় অবলম্বন। মানবিক বিপর্যয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই মনুষ্যত্বের পরম ধর্ম।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের চক মোহনবাড়ী গ্রামের ৮ বছর বয়সী ছোট্ট শিশু মোছা. রিমু খাতুন। রঙিন শৈশবে দুরন্তপনায় মেতে থাকার কথা যার, সেই রিমু এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। মরণব্যাধি ক্যান্সার যেন তার অদম্য বাঁচার ইচ্ছাকে কেড়ে নিতে চাইছে।
রিমুর বাবা রিপন শেখ পেশায় একজন অতিদরিদ্র মানুষ। দিনমজুরের আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারটির পক্ষে রিমুর এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব। রিমুর বাম চোখটি অস্বাভাবিকভাবে ফুলে বেরিয়ে এসেছে এবং ক্যান্সারের প্রভাবে তার নাকের ছিদ্র দুটিও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের মতে, তার অবিলম্বে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় ধরে মেয়ের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারটি এখন প্রায় নিঃস্ব।
রিমুর বাবা রিপন শেখ অশ্রুসিক্ত নয়নে জানান, "নিজের সবটুকু সম্বল দিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করার চেষ্টা করছি, কিন্তু এখন আর পারছি না। চোখের সামনে মেয়ের এই যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা আমি কোনো বাবা হিসেবে মেনে নিতে পারছি না।"
সমাজের বিত্তবান মানুষ, বিভিন্ন মানবিক সংগঠন ও প্রবাসীদের কাছে রিমুর পরিবারের আকুল আবেদন—আসুন, আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে রিমুর পাশে দাঁড়াই। আপনার বাড়িয়ে দেওয়া একটি সহায়তার হাত হয়তো একটি নিষ্পাপ শিশুর মুখে আবারও হাসি ফোটাতে পারে, ফিরিয়ে আনতে পারে তার জীবনের আলো।
মনে রাখবেন, আপনার সামান্য সহায়তা এই মুহূর্তে রিমুর পরিবারের জন্য অনেক বড় অবলম্বন। মানবিক বিপর্যয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই মনুষ্যত্বের পরম ধর্ম।

আপনার মতামত লিখুন