সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে রনজিত ঘোষ নামে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের ওপর হামলা ও মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটিতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রনজিত ঘোষের সঙ্গে প্রতিপক্ষের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন বিবাদমান পক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রনজিত ঘোষের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রনজিত ঘোষসহ তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা বাড়িঘরে ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী রনজিত ঘোষ জানান, "জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হওয়ার কথা থাকলেও তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মো হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে রনজিত ঘোষ নামে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের ওপর হামলা ও মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটিতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রনজিত ঘোষের সঙ্গে প্রতিপক্ষের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন বিবাদমান পক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রনজিত ঘোষের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রনজিত ঘোষসহ তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা বাড়িঘরে ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী রনজিত ঘোষ জানান, "জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হওয়ার কথা থাকলেও তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মো হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন