মাদকমুক্ত ও সুস্থ সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুব ও কিশোররা। নিয়মিত খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি এবং নতুন প্রজন্মকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও সমাজসেবীদের কাছে ক্রীড়া সামগ্রী সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জানা গেছে, পাঙ্গাসী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডটি কয়াবিল, কালিঞ্জা, নারায়ণ, শালুয়া, চক আনার, ডুমুর ও নওদাডুমুর গ্রাম নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডে রয়েছে একটি বড় ও মনোরম খেলার মাঠ। প্রতিদিন বিকেলে এলাকার অসংখ্য কিশোর ও তরুণ ওই মাঠে খেলাধুলার জন্য সমবেত হন। তবে প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জামের অভাবে নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা চালিয়ে যেতে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয় যুবকদের দাবি, মাঠে খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় ফুটবল, টিম জার্সি ও ফুটবল বুটের মতো মৌলিক সরঞ্জামের সংকট রয়েছে। এতে অনেক প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় তাদের প্রতিভা বিকাশের পর্যাপ্ত সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের মতে, পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে তরুণদের অবসর সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মাদক ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধ থেকেও দূরে রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে এলাকার যুবসমাজ সমাজের শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, সমাজসেবী, প্রবাসী ও বিত্তবান অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই আমাদের জন্য অনেক বড় প্রেরণা হতে পারে। একটি ফুটবল, কিছু জার্সি কিংবা কয়েক জোড়া বুট আমাদের নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও মাদকমুক্ত জীবন গঠনে উৎসাহিত করবে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তরুণদের এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এলাকার যুব ও কিশোররা বলেন, “মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। আমরা চাই, সবাই এগিয়ে এসে আমাদের পাশে দাঁড়ান।”
তরুণদের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশংসিত হয়েছে। সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
মাদকমুক্ত ও সুস্থ সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুব ও কিশোররা। নিয়মিত খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি এবং নতুন প্রজন্মকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও সমাজসেবীদের কাছে ক্রীড়া সামগ্রী সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জানা গেছে, পাঙ্গাসী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডটি কয়াবিল, কালিঞ্জা, নারায়ণ, শালুয়া, চক আনার, ডুমুর ও নওদাডুমুর গ্রাম নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডে রয়েছে একটি বড় ও মনোরম খেলার মাঠ। প্রতিদিন বিকেলে এলাকার অসংখ্য কিশোর ও তরুণ ওই মাঠে খেলাধুলার জন্য সমবেত হন। তবে প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জামের অভাবে নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা চালিয়ে যেতে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয় যুবকদের দাবি, মাঠে খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় ফুটবল, টিম জার্সি ও ফুটবল বুটের মতো মৌলিক সরঞ্জামের সংকট রয়েছে। এতে অনেক প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় তাদের প্রতিভা বিকাশের পর্যাপ্ত সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের মতে, পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে তরুণদের অবসর সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মাদক ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধ থেকেও দূরে রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে এলাকার যুবসমাজ সমাজের শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, সমাজসেবী, প্রবাসী ও বিত্তবান অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই আমাদের জন্য অনেক বড় প্রেরণা হতে পারে। একটি ফুটবল, কিছু জার্সি কিংবা কয়েক জোড়া বুট আমাদের নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও মাদকমুক্ত জীবন গঠনে উৎসাহিত করবে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তরুণদের এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এলাকার যুব ও কিশোররা বলেন, “মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। আমরা চাই, সবাই এগিয়ে এসে আমাদের পাশে দাঁড়ান।”
তরুণদের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশংসিত হয়েছে। সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন