সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের চৌরঙ্গী মোড়ে অবস্থিত ব্লিস হাসপাতালে মঙ্গলবার দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট এক ঘন্টাও বেশি সময় চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডের সময় সৃষ্ট ঘন ধোঁয়ায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, হাসপাতালের কর্মীসহ অন্তত ১৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে দ্রুত রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে পাশ্ববর্তী হাসপাতালে স্থানান্তর করায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
অগ্নিকাণ্ডের পর সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। রোগীদের দ্রুত স্থানান্তরের জন্য ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্সের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ, বিজিবি ও ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল, সেক্রেটারি আজিজুর রহমানসহ দলের একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক সাইফুজ্জামান বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে আরও চারটি ইউনিট যোগ দিলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।”
হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস বলেন, “নিচতলায় আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত তিনতলা থেকে নিচে নেমে রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিই। পরে তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।”
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের চৌরঙ্গী মোড়ে অবস্থিত ব্লিস হাসপাতালে মঙ্গলবার দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট এক ঘন্টাও বেশি সময় চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডের সময় সৃষ্ট ঘন ধোঁয়ায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, হাসপাতালের কর্মীসহ অন্তত ১৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে দ্রুত রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে পাশ্ববর্তী হাসপাতালে স্থানান্তর করায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
অগ্নিকাণ্ডের পর সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। রোগীদের দ্রুত স্থানান্তরের জন্য ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্সের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ, বিজিবি ও ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল, সেক্রেটারি আজিজুর রহমানসহ দলের একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক সাইফুজ্জামান বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে আরও চারটি ইউনিট যোগ দিলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।”
হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস বলেন, “নিচতলায় আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত তিনতলা থেকে নিচে নেমে রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিই। পরে তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।”
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন