সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন দোকান মালিকগণ।বুধবার (১০ জুন) ভোরে উপজেলার জামতৈল পূর্ব বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান বুধবার ভোর পৌনে ছয়টার দিকে চান সুইট নামে দোকানের সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ধীরে ধীরে পাশের দোকানগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চান সুইটস, এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার, মনোহারী দোকান, সেলুন ঘর, আধুনিক কনফেকশনারি এন্ড রকমারি আসবাবাপত্র, মৃতশিল্পের দোকান, ফ্রিজের মেকানিক্যাল দোকানসহ প্রতিটা ঘরের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
চান সুইটসের মালিক লাল মিয়া জানান, আমাদের একেবারে পুরো দোকান পুরে শেষ হয়ে গেছে। ঈদ উপলক্ষে আমাদের চিনি তেল সবকিছুই স্টক করা ছিল। ব্যাংক থেকে কিছু লোন নেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ও্যায়ার হাউজ ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন জানান, আমরা ভোর সোয়া ছয়টায় টার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত চলে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পুরোপুরি আগুন নেভাতে প্রায় এক ঘন্টা সময় লাগে। আমরা ধারণা করছি বিদ্যুতের শর্ট সার্টিকে থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আরো আমাদের তদন্ত করতে হবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন দোকান মালিকগণ।বুধবার (১০ জুন) ভোরে উপজেলার জামতৈল পূর্ব বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান বুধবার ভোর পৌনে ছয়টার দিকে চান সুইট নামে দোকানের সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ধীরে ধীরে পাশের দোকানগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চান সুইটস, এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার, মনোহারী দোকান, সেলুন ঘর, আধুনিক কনফেকশনারি এন্ড রকমারি আসবাবাপত্র, মৃতশিল্পের দোকান, ফ্রিজের মেকানিক্যাল দোকানসহ প্রতিটা ঘরের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
চান সুইটসের মালিক লাল মিয়া জানান, আমাদের একেবারে পুরো দোকান পুরে শেষ হয়ে গেছে। ঈদ উপলক্ষে আমাদের চিনি তেল সবকিছুই স্টক করা ছিল। ব্যাংক থেকে কিছু লোন নেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ও্যায়ার হাউজ ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন জানান, আমরা ভোর সোয়া ছয়টায় টার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত চলে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পুরোপুরি আগুন নেভাতে প্রায় এক ঘন্টা সময় লাগে। আমরা ধারণা করছি বিদ্যুতের শর্ট সার্টিকে থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আরো আমাদের তদন্ত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন