দৈনিক লাল বার্তা

রায়গঞ্জে মিষ্টি আলু চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক



রায়গঞ্জে মিষ্টি আলু চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক

একসময় যে মিষ্টি আলুকে কেবল ‘গরিবের খাবার’ বা শখের ফসল হিসেবে দেখা হতো, আজ তা হয়ে উঠেছে দেশের অনেক কৃষকের আর্থিক সফলতার হাতিয়ার। তেমনই সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক কৃষক মিষ্টি আলু চাষে সফল হয়েছেন, যিনি প্রথাগত ফসল ছেড়ে মিষ্টি আলু চাষ করে এলাকায় অনেক কৃষকের নজর কেরেছেন।

 রায়গঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকার ভাতহারিয়া এলাকার কৃষক করম আলী। তিনি এর আগে ধান চাষ করতেন। কিন্তু খরচ বেশি আর ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় তিনি নতুন কিছু করার কথা ভাবছিলেন। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে তিনি মাত্র ১০ শতাংশ জমিতে উন্নত জাতের মিষ্টি আলু চাষ শুরু করেন। সে জানায় "আমি ভাবিনি যে এত কম খরচে এবং কম পরিশ্রমে এত বেশি লাভ করা সম্ভব। অন্যান্য ফসলের চেয়ে এর ঝুঁকি অনেক কম।" করম আলীর মতে, মিষ্টি আলু চাষের প্রধান সুবিধা হলো এর জন্য বিশেষ কোনো সারের প্রয়োজন হয় না এবং পোকা-মাকড়ের উপদ্রবও খুব কম।

করম আলীর নিকট থেকে ১০শতাংশ মিষ্টি আলু কিনে নেন ব্যাবসায়ী রায়হান আলী। তিনি বলেন,বাজারে মিষ্টি আলুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমরা জমি থেকে আলু তুলে নিয়ে বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে বাজারে ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

 রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন,মিষ্টি আলু এখন আর শুধু খরাপ্রবণ এলাকার ফসল নয়। পুষ্টিগুণ এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করার সুবিধার কারণে এর বাণিজ্যিক চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। চলতি বছর এ উপজেলায় ৫হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলু চাষ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


রায়গঞ্জে মিষ্টি আলু চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


একসময় যে মিষ্টি আলুকে কেবল ‘গরিবের খাবার’ বা শখের ফসল হিসেবে দেখা হতো, আজ তা হয়ে উঠেছে দেশের অনেক কৃষকের আর্থিক সফলতার হাতিয়ার। তেমনই সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক কৃষক মিষ্টি আলু চাষে সফল হয়েছেন, যিনি প্রথাগত ফসল ছেড়ে মিষ্টি আলু চাষ করে এলাকায় অনেক কৃষকের নজর কেরেছেন।


 রায়গঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকার ভাতহারিয়া এলাকার কৃষক করম আলী। তিনি এর আগে ধান চাষ করতেন। কিন্তু খরচ বেশি আর ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় তিনি নতুন কিছু করার কথা ভাবছিলেন। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে তিনি মাত্র ১০ শতাংশ জমিতে উন্নত জাতের মিষ্টি আলু চাষ শুরু করেন। সে জানায় "আমি ভাবিনি যে এত কম খরচে এবং কম পরিশ্রমে এত বেশি লাভ করা সম্ভব। অন্যান্য ফসলের চেয়ে এর ঝুঁকি অনেক কম।" করম আলীর মতে, মিষ্টি আলু চাষের প্রধান সুবিধা হলো এর জন্য বিশেষ কোনো সারের প্রয়োজন হয় না এবং পোকা-মাকড়ের উপদ্রবও খুব কম।

করম আলীর নিকট থেকে ১০শতাংশ মিষ্টি আলু কিনে নেন ব্যাবসায়ী রায়হান আলী। তিনি বলেন,বাজারে মিষ্টি আলুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমরা জমি থেকে আলু তুলে নিয়ে বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে বাজারে ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।


 রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন,মিষ্টি আলু এখন আর শুধু খরাপ্রবণ এলাকার ফসল নয়। পুষ্টিগুণ এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করার সুবিধার কারণে এর বাণিজ্যিক চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। চলতি বছর এ উপজেলায় ৫হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলু চাষ করা হয়েছে।




দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা