ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোয়াদি এলাকায় একটি বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপ ভ্যানকে যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিলে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার রাত ৮টার দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ঘাতক বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোয়াদি নামক স্থানে একটি পিকআপ ভ্যান নষ্ট হয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে যাওয়া ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
ওসি হেলাল উদ্দিন জানান: "দুর্ঘটনার খবর পেয়েই বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিকে আটকে রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।"
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
নিহতদের পরিচয় শনাক্তকরণের পাশাপাশি দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে থানা সূত্রে জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোয়াদি এলাকায় একটি বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপ ভ্যানকে যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিলে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার রাত ৮টার দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ঘাতক বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোয়াদি নামক স্থানে একটি পিকআপ ভ্যান নষ্ট হয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে যাওয়া ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
ওসি হেলাল উদ্দিন জানান: "দুর্ঘটনার খবর পেয়েই বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিকে আটকে রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।"
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
নিহতদের পরিচয় শনাক্তকরণের পাশাপাশি দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে থানা সূত্রে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন