দৈনিক লাল বার্তা

তাড়াশে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দুর্ভোগে স্কুলের ছাত্রসহ গ্রামের হাজার মানুষ



তাড়াশে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দুর্ভোগে স্কুলের ছাত্রসহ গ্রামের হাজার মানুষ

মির্জা সাব্বির:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার (মান্নাননগর-রানীরহাট) আঞ্চলীক সড়কের ঘরগ্রাম ওবদা-বাধ হতে ঘরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এখনো পাকা হয়নি। রাস্তাটি দেখে মনে হতে পারে হাল চাষ করার জমি। বর্ষ মৌসুমে  কাঁদামাখা রাস্তা দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্কুলের ছাত্র,ছাত্রী , বৃদ্ধ, প্রসূতি নারী, অসুস্থ রোগী ও মসজিদের মুসল্লিদের দুর্ভোগের শেষ নেই। 

দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করণের দাবি জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী। কিন্তু জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এতে সাড়া দিচ্ছে না। রাস্তাটি কাঁচা পথ পড়ি দিয়ে শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যাওয়া আসা করে। এই রাস্তা দিয়েই গ্রামবাসী খেতের ফসল ঘরে তোলে। এ ছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে ঘরগ্রাম বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্যসামগ্রী কেনাকাটা করতে যেতে হয় এলাকাবাসীকে।তাড়াশ উপজেলা সদর, থানা ও আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয়। 

ঘরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী  রাজু , রিয়া, আবদুল্লাহ বলেন, বৃষ্টি হলে আমাদের স্কুলের আসার পথটিতে হাঁটুজল থাকে। অনেক সময় পোশাক, বই খাতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই অনেকে ক্লাস না করেই বাড়িতে চলে যায়। আবার কয়েকদিন আগে আমাদের এক সহপাঠী সাইকেল নিয়ে পরে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। তাই আমাদের এই রাস্তাটি যাতে দ্রুত মেরামত করতে হবে।

ঘরগ্রামের শাহিন সরদার জানান, চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে এখানকার লোকজনের যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেশি। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জামাকাপড় ও বই খাতায় কাঁদা মেখে যায়। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারে সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। 

 কাঁদামাখা রাস্তা দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে  ঘরগ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, বৃষ্টি হলেই এলাকার অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসতে পারে না। ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। এ বিষয়ে মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মেহেদী হাসান ম্যাগনেট জানান, ‘আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা ইটের সোলিং ও পিচ হয়েছে। অতি দ্রুত এ রাস্তাটি পাকা করা হবে।’ তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশল কর্মকর্তা মো: ফজলুল হক জানান, রাস্তাটি এত খারাপ আমার জানা ছিল না। চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে রাস্তাটি পাকা করার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


তাড়াশে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দুর্ভোগে স্কুলের ছাত্রসহ গ্রামের হাজার মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

মির্জা সাব্বির:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার (মান্নাননগর-রানীরহাট) আঞ্চলীক সড়কের ঘরগ্রাম ওবদা-বাধ হতে ঘরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এখনো পাকা হয়নি। রাস্তাটি দেখে মনে হতে পারে হাল চাষ করার জমি। বর্ষ মৌসুমে  কাঁদামাখা রাস্তা দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্কুলের ছাত্র,ছাত্রী , বৃদ্ধ, প্রসূতি নারী, অসুস্থ রোগী ও মসজিদের মুসল্লিদের দুর্ভোগের শেষ নেই। 

দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করণের দাবি জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী। কিন্তু জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এতে সাড়া দিচ্ছে না। রাস্তাটি কাঁচা পথ পড়ি দিয়ে শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যাওয়া আসা করে। এই রাস্তা দিয়েই গ্রামবাসী খেতের ফসল ঘরে তোলে। এ ছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে ঘরগ্রাম বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্যসামগ্রী কেনাকাটা করতে যেতে হয় এলাকাবাসীকে।তাড়াশ উপজেলা সদর, থানা ও আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয়। 

ঘরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী  রাজু , রিয়া, আবদুল্লাহ বলেন, বৃষ্টি হলে আমাদের স্কুলের আসার পথটিতে হাঁটুজল থাকে। অনেক সময় পোশাক, বই খাতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই অনেকে ক্লাস না করেই বাড়িতে চলে যায়। আবার কয়েকদিন আগে আমাদের এক সহপাঠী সাইকেল নিয়ে পরে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। তাই আমাদের এই রাস্তাটি যাতে দ্রুত মেরামত করতে হবে।

ঘরগ্রামের শাহিন সরদার জানান, চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে এখানকার লোকজনের যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেশি। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জামাকাপড় ও বই খাতায় কাঁদা মেখে যায়। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারে সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। 

 কাঁদামাখা রাস্তা দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে  ঘরগ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, বৃষ্টি হলেই এলাকার অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসতে পারে না। ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। এ বিষয়ে মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মেহেদী হাসান ম্যাগনেট জানান, ‘আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা ইটের সোলিং ও পিচ হয়েছে। অতি দ্রুত এ রাস্তাটি পাকা করা হবে।’ তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশল কর্মকর্তা মো: ফজলুল হক জানান, রাস্তাটি এত খারাপ আমার জানা ছিল না। চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে রাস্তাটি পাকা করার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ 


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা