সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ধানগড়া-বাগবাটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের হবনগাতি এলাকায় একটি ব্রিজের দুই পাশে লাল কাপড় বা নিশানা টাঙিয়ে দিয়ে দায় সেরেছে কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক মাস আগে ব্রিজের দুই পাশে রাস্তার একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা মেরামতে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে চরম ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন চলাচল করছে শত শত যানবাহন ও সাধারণ মানুষ।
রবিবার ভোরে (১০মে) সরেজমিনে দেখা যায়, গত কয়েক মাস আগে ব্রিজের দুই পাশে রাস্তা ভেঙ্গে গহীন গর্তের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এবং পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্রিজের দুই পাশে সতর্কতা হিসেবে লাল কাপড় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। রাতের অন্ধকারে এই লাল নিশানা অনেক সময় চালকদের নজরে আসে না, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বাগবাটি গ্রামের রিকশা চালক আবুল কালাম জানান, "রাতে এই রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়া করতে বুক কাঁপে। কর্তৃপক্ষ শুধু লাল কাপড় বেঁধে দিয়ে চলে গেছে, কিন্তু মেরামতের উদ্যোগ নিয়ে কেউ আসেনি।" ব্যস্ততম এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পণ্যবাহী ট্রাক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগের রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,"আমরা বিষয়টি অবগত আছি এবং প্রাথমিক সতর্কতা হিসেবে লাল নিশানা দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটির একাংশ দ্রুত মেরামতের কাজ করা হবে।"
বড় কোনো প্রাণহানি ঘটার আগেই দ্রুত এই রাস্তা মেরামত করে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ধানগড়া-বাগবাটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের হবনগাতি এলাকায় একটি ব্রিজের দুই পাশে লাল কাপড় বা নিশানা টাঙিয়ে দিয়ে দায় সেরেছে কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক মাস আগে ব্রিজের দুই পাশে রাস্তার একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা মেরামতে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে চরম ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন চলাচল করছে শত শত যানবাহন ও সাধারণ মানুষ।
রবিবার ভোরে (১০মে) সরেজমিনে দেখা যায়, গত কয়েক মাস আগে ব্রিজের দুই পাশে রাস্তা ভেঙ্গে গহীন গর্তের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এবং পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্রিজের দুই পাশে সতর্কতা হিসেবে লাল কাপড় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। রাতের অন্ধকারে এই লাল নিশানা অনেক সময় চালকদের নজরে আসে না, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বাগবাটি গ্রামের রিকশা চালক আবুল কালাম জানান, "রাতে এই রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়া করতে বুক কাঁপে। কর্তৃপক্ষ শুধু লাল কাপড় বেঁধে দিয়ে চলে গেছে, কিন্তু মেরামতের উদ্যোগ নিয়ে কেউ আসেনি।" ব্যস্ততম এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পণ্যবাহী ট্রাক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগের রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,"আমরা বিষয়টি অবগত আছি এবং প্রাথমিক সতর্কতা হিসেবে লাল নিশানা দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটির একাংশ দ্রুত মেরামতের কাজ করা হবে।"
বড় কোনো প্রাণহানি ঘটার আগেই দ্রুত এই রাস্তা মেরামত করে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন