সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এনসিডি কর্ণার পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান প্রতিমন্ত্রী ডা.এম এ মুমিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নন কমিউনিকেবল ডিজিজ (এনসিডি) কর্ণার পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালে ব্রেস্ট ফিডিং কর্ণারের উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুদ রানা উপস্থিত ছিলেন। তিনি এনসিডি কর্নারের খোঁজ খবর নেন। ডিজিটাল বিপি মেশিনে নিজের উচ্চ রক্তচাপ মাপেন। ওষুধের পর্যাপ্ততা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট জানতে চান এবং এনসিডি রোগীদের নিয়মিত ফলোআপের কথা বলেন।
দেশে ৭২ শতাংশের উপরে মানুষ অসংক্রামক রোগে মৃত্যুবরণ করছে, এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশের উপরে হার্ট এটাক ও স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে। অসংক্রামক রোগে মৃত্যুহার কমাতে উচ্চরক্তচাপ ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য এনসিডি কর্নারে সারা বছর ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করার উপর জোড়দেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলায় ৫১৮২ জন উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসের রোগী ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রতিমাসে সেবা নিয়ে থাকে। নিয়মিত ওষুধ না থাকায় রোগীর নিয়মিত ফলো আপ সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা যায়।
তবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কোন হাসপাতালেই আর ওষুধের অভাব হবেনা। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে সকল সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করে চলছে। আশা করি এই হাসপাতালেও আর কখনো এগুলো সমস্যা হবেনা ইনশাআল্লাহ।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এনসিডি কর্ণার পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান প্রতিমন্ত্রী ডা.এম এ মুমিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নন কমিউনিকেবল ডিজিজ (এনসিডি) কর্ণার পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালে ব্রেস্ট ফিডিং কর্ণারের উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুদ রানা উপস্থিত ছিলেন। তিনি এনসিডি কর্নারের খোঁজ খবর নেন। ডিজিটাল বিপি মেশিনে নিজের উচ্চ রক্তচাপ মাপেন। ওষুধের পর্যাপ্ততা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট জানতে চান এবং এনসিডি রোগীদের নিয়মিত ফলোআপের কথা বলেন।
দেশে ৭২ শতাংশের উপরে মানুষ অসংক্রামক রোগে মৃত্যুবরণ করছে, এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশের উপরে হার্ট এটাক ও স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে। অসংক্রামক রোগে মৃত্যুহার কমাতে উচ্চরক্তচাপ ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য এনসিডি কর্নারে সারা বছর ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করার উপর জোড়দেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলায় ৫১৮২ জন উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসের রোগী ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রতিমাসে সেবা নিয়ে থাকে। নিয়মিত ওষুধ না থাকায় রোগীর নিয়মিত ফলো আপ সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা যায়।
তবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কোন হাসপাতালেই আর ওষুধের অভাব হবেনা। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে সকল সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করে চলছে। আশা করি এই হাসপাতালেও আর কখনো এগুলো সমস্যা হবেনা ইনশাআল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন