ফয়জুল হক বাবু, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া খান (১৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ও তার সহযোগী অমিত হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে। অপর আসামি অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসান (৩০) একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কলেজছাত্র জাকারিয়া খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কালিগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছে—এমন তথ্য পুলিশের কাছে আসে। এর ভিত্তিতে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে একটি দল মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তবর্তী একটি স্থান থেকে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ও জাকারিয়া হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি অমিত হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আসামিদের বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ অফিস মোড় এলাকায় একটি চায়ের দোকানের পাশে বাপ্পি হাসানের সঙ্গে নাহিদসহ কয়েকজনের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় বাপ্পি হাসানকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে কলেজছাত্র জাকারিয়া খানকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় জাকারিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই শাহরিয়ার খান বাদী হয়ে শনিবার রাতে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও সাতজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
এর আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মুহিদ হাসান বনিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ফয়জুল হক বাবু, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া খান (১৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ও তার সহযোগী অমিত হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে। অপর আসামি অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসান (৩০) একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কলেজছাত্র জাকারিয়া খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কালিগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছে—এমন তথ্য পুলিশের কাছে আসে। এর ভিত্তিতে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে একটি দল মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তবর্তী একটি স্থান থেকে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ও জাকারিয়া হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি অমিত হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আসামিদের বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ অফিস মোড় এলাকায় একটি চায়ের দোকানের পাশে বাপ্পি হাসানের সঙ্গে নাহিদসহ কয়েকজনের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় বাপ্পি হাসানকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে কলেজছাত্র জাকারিয়া খানকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় জাকারিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই শাহরিয়ার খান বাদী হয়ে শনিবার রাতে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও সাতজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
এর আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মুহিদ হাসান বনিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন