সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ইরি ধান ও সবজির খেতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাঠের অধিকাংশ ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে এবং নিচু এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে শত শত কৃষক বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ধামাইনগর, সোনাখাড়া, পাঙ্গাশি, ধুবিল, চান্দাইকোনা ও নলকা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ধানগাছ মাটিতে লুটিয়ে আছে। কোথাও কোথাও জমিতে জমে থাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে ধানগাছ। এতে ধানের শীষ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গোড়া পচে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। হঠাৎ এমন দুর্যোগে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা জানান।
প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলায় প্রায় ১২০ হেক্টর জমির ইরি-বোরো ধান এবং প্রায় ৬ হেক্টর জমির বিভিন্ন সবজি খেত ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত জমি থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যেসব ধানগাছ পড়ে গেছে, সেগুলো গুচ্ছ করে বেঁধে রাখলে কিছুটা ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।” তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ- সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরপনে
কাজ করে যাচ্ছেন। পরে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ইরি ধান ও সবজির খেতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাঠের অধিকাংশ ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে এবং নিচু এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে শত শত কৃষক বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ধামাইনগর, সোনাখাড়া, পাঙ্গাশি, ধুবিল, চান্দাইকোনা ও নলকা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ধানগাছ মাটিতে লুটিয়ে আছে। কোথাও কোথাও জমিতে জমে থাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে ধানগাছ। এতে ধানের শীষ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গোড়া পচে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। হঠাৎ এমন দুর্যোগে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা জানান।
প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলায় প্রায় ১২০ হেক্টর জমির ইরি-বোরো ধান এবং প্রায় ৬ হেক্টর জমির বিভিন্ন সবজি খেত ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত জমি থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যেসব ধানগাছ পড়ে গেছে, সেগুলো গুচ্ছ করে বেঁধে রাখলে কিছুটা ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।” তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ- সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরপনে
কাজ করে যাচ্ছেন। পরে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন