এক কলস নিরাপদ পানির জন্য প্রতিদিন অন্যের দুয়ারে ধর্ণা দেওয়া এবং প্রতিবেশীদের লাঞ্ছনা সহ্য করা যে কতটা যন্ত্রণার, তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের বাশুরিয়া গ্রামের রাশিদা বেগমের জীবনটা ঠিক এমনই এক কষ্টের আবর্তে আটকে ছিল।
বিয়ের পর থেকে দীর্ঘ সময় পার হলেও নিজের ঘরে একটি টিউবওয়েল ছিল না তার। প্রতিদিন এক ফোঁটা পানির জন্য তাকে ছুটতে হতো এ-বাড়ি ও-বাড়ি। পানির সাথে জোটে প্রতিবেশীদের কটু কথা আর অবজ্ঞা। বর্তমান আধুনিক সময়েও রাশিদা বেগমের দিনগুলো কাটছিল চরম অসহায়ত্বের মধ্য দিয়ে।
অসহায় এই নারীর কষ্টের কথা শুনে আমরা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা যখন মামুন বিশ্বাসকে বিষয়টি জানান, তিনি কালক্ষেপণ না করে মুহূর্তেই পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। তাঁরই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্রুত ১০ হাজার টাকা পৌঁছে যায়।
সেই সহযোগিতায় আজ রাশিদা বেগমের আঙিনায় একটি উন্নত ও পাকা মজবুত আয়রনমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা এখানে কেবল নিজেদের স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়েছে এবং একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।
এই মহৎ কাজের সকল কৃতিত্ব এবং কৃতজ্ঞতা কেবল পরম মামুন বিশ্বাসের। তাঁর এই মহানুভবতা ও বিশাল হৃদয়ের কারণেই আজ একটি অসহায় পরিবারের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত কষ্টের অবসান ঘটলো।
এখন আর রাশিদা বেগমকে পানির জন্য কারো দুয়ারে গিয়ে কথা শুনতে হবে না, অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে দীর্ঘ পথ হাঁটতে হবে না। নিজের ঘরের সামনেই এখন মিলবে নিরাপদ পানি।
এ বিষয়ে মামুন বিশ্বাস বলেন, মানবতার সেবায় এগিয়ে আসাই আমাদের কাজ। এখানে একটি অসহায় পরিবার নিজের আঙ্গিনায় থেকে পানি ব্যবহার করতে পারবেন এটাই আমাদের বড় সফলতা।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
এক কলস নিরাপদ পানির জন্য প্রতিদিন অন্যের দুয়ারে ধর্ণা দেওয়া এবং প্রতিবেশীদের লাঞ্ছনা সহ্য করা যে কতটা যন্ত্রণার, তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের বাশুরিয়া গ্রামের রাশিদা বেগমের জীবনটা ঠিক এমনই এক কষ্টের আবর্তে আটকে ছিল।
বিয়ের পর থেকে দীর্ঘ সময় পার হলেও নিজের ঘরে একটি টিউবওয়েল ছিল না তার। প্রতিদিন এক ফোঁটা পানির জন্য তাকে ছুটতে হতো এ-বাড়ি ও-বাড়ি। পানির সাথে জোটে প্রতিবেশীদের কটু কথা আর অবজ্ঞা। বর্তমান আধুনিক সময়েও রাশিদা বেগমের দিনগুলো কাটছিল চরম অসহায়ত্বের মধ্য দিয়ে।
অসহায় এই নারীর কষ্টের কথা শুনে আমরা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা যখন মামুন বিশ্বাসকে বিষয়টি জানান, তিনি কালক্ষেপণ না করে মুহূর্তেই পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। তাঁরই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্রুত ১০ হাজার টাকা পৌঁছে যায়।
সেই সহযোগিতায় আজ রাশিদা বেগমের আঙিনায় একটি উন্নত ও পাকা মজবুত আয়রনমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা এখানে কেবল নিজেদের স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়েছে এবং একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।
এই মহৎ কাজের সকল কৃতিত্ব এবং কৃতজ্ঞতা কেবল পরম মামুন বিশ্বাসের। তাঁর এই মহানুভবতা ও বিশাল হৃদয়ের কারণেই আজ একটি অসহায় পরিবারের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত কষ্টের অবসান ঘটলো।
এখন আর রাশিদা বেগমকে পানির জন্য কারো দুয়ারে গিয়ে কথা শুনতে হবে না, অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে দীর্ঘ পথ হাঁটতে হবে না। নিজের ঘরের সামনেই এখন মিলবে নিরাপদ পানি।
এ বিষয়ে মামুন বিশ্বাস বলেন, মানবতার সেবায় এগিয়ে আসাই আমাদের কাজ। এখানে একটি অসহায় পরিবার নিজের আঙ্গিনায় থেকে পানি ব্যবহার করতে পারবেন এটাই আমাদের বড় সফলতা।

আপনার মতামত লিখুন