সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. সোহেল রানার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ফুলজোড় নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা একটি লাশকে সোহেল রানার লাশ বলে ফেসবুকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্কবার্তা দিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নলকা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সোহেল রানা গত কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যেই গত ৭ জুন সাহেবগঞ্জ এলাকার ফুলজোড় নদী থেকে স্থানীয়রা অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্ধার হওয়া সেই লাশের ছবি ছড়িয়ে দিয়ে দাবি করা হয়, এটি নিখোঁজ সোহেল রানার মরদেহ। মুহূর্তের মধ্যে এই দাবিটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই গুজব বা অপপ্রচার বন্ধ করতে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখতে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম গত রবিবার রাতে তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
“ফুলজোড় নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ফেসবুকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে প্রচার চালানো সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর এবং এটি অপপ্রচারের শামিল হতে পারে।”
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া লাশের প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা বা ময়নাতদন্তসহ তদন্তের স্বার্থে যা যা করণীয়, তার সবকিছুই করা হচ্ছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি গণমাধ্যম ও এলাকাবাসীকে জানিয়ে দেওয়া হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে, প্রকৃত তথ্য না জেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্ট বা মন্তব্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে। গুজবে কান না দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. সোহেল রানার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ফুলজোড় নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা একটি লাশকে সোহেল রানার লাশ বলে ফেসবুকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্কবার্তা দিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নলকা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সোহেল রানা গত কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যেই গত ৭ জুন সাহেবগঞ্জ এলাকার ফুলজোড় নদী থেকে স্থানীয়রা অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্ধার হওয়া সেই লাশের ছবি ছড়িয়ে দিয়ে দাবি করা হয়, এটি নিখোঁজ সোহেল রানার মরদেহ। মুহূর্তের মধ্যে এই দাবিটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই গুজব বা অপপ্রচার বন্ধ করতে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখতে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম গত রবিবার রাতে তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
“ফুলজোড় নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ফেসবুকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে প্রচার চালানো সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর এবং এটি অপপ্রচারের শামিল হতে পারে।”
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া লাশের প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা বা ময়নাতদন্তসহ তদন্তের স্বার্থে যা যা করণীয়, তার সবকিছুই করা হচ্ছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি গণমাধ্যম ও এলাকাবাসীকে জানিয়ে দেওয়া হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে, প্রকৃত তথ্য না জেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্ট বা মন্তব্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে। গুজবে কান না দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন