বরিশাল নগরীর অভিজাত আবাসন প্রতিষ্ঠান 'অগ্রণী হাউজিং লিমিটেড'-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারকে অফিসে ঢুকে মারধর, অণ্ডকোষ চেপে নির্যাতন এবং জিম্মি করে বিপুল অংকের টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শহরজুড়ে তীব্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ জুন দুপুরে তার অফিসে ঢুকে সাবেক অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমান লিটু ও তার সহযোগীরা তাকে অতর্কিত হামলা করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, লিটু তার কাছে ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং তা না পেয়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন শুরু করেন। এক পর্যায়ে তার অণ্ডকোষ চেপে ধরে চরম শারীরিক যন্ত্রণার সৃষ্টি করা হয়। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে হামলাকারীরা তার কাছ থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকার দুটি চেক, একটি স্বাক্ষরবিহীন (সাদা) চেক এবং একাধিক স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করে নেয়।
ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক অফিসে প্রবেশ করে ভুক্তভোগী এমডিকে ঘিরে ধরেন এবং তার ওপর চড়াও হন। ফুটেজে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর দৃশ্য স্পষ্ট হওয়ায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
নির্যাতনের শিকার আব্দুল আজিজ হাওলাদার এ ঘটনায় বরিশাল আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত ভুক্তভোগীর অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের (এফআইআর) নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তারা ওই প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এবং পরিচালক। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সেই পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে দাবি করেন। তবে মারধর বা অণ্ডকোষ চেপে নির্যাতনের বিষয়টি তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের পক্ষ থেকে তারা এখনো বিস্তারিত নির্দেশনার নথি পাননি। নির্দেশনার কপি হাতে পাওয়ার পরপরই আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলেও তারা নিশ্চিত করেছেন।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
বরিশাল নগরীর অভিজাত আবাসন প্রতিষ্ঠান 'অগ্রণী হাউজিং লিমিটেড'-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারকে অফিসে ঢুকে মারধর, অণ্ডকোষ চেপে নির্যাতন এবং জিম্মি করে বিপুল অংকের টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শহরজুড়ে তীব্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ জুন দুপুরে তার অফিসে ঢুকে সাবেক অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমান লিটু ও তার সহযোগীরা তাকে অতর্কিত হামলা করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, লিটু তার কাছে ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং তা না পেয়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন শুরু করেন। এক পর্যায়ে তার অণ্ডকোষ চেপে ধরে চরম শারীরিক যন্ত্রণার সৃষ্টি করা হয়। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে হামলাকারীরা তার কাছ থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকার দুটি চেক, একটি স্বাক্ষরবিহীন (সাদা) চেক এবং একাধিক স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করে নেয়।
ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক অফিসে প্রবেশ করে ভুক্তভোগী এমডিকে ঘিরে ধরেন এবং তার ওপর চড়াও হন। ফুটেজে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর দৃশ্য স্পষ্ট হওয়ায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
নির্যাতনের শিকার আব্দুল আজিজ হাওলাদার এ ঘটনায় বরিশাল আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত ভুক্তভোগীর অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের (এফআইআর) নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তারা ওই প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এবং পরিচালক। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সেই পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে দাবি করেন। তবে মারধর বা অণ্ডকোষ চেপে নির্যাতনের বিষয়টি তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের পক্ষ থেকে তারা এখনো বিস্তারিত নির্দেশনার নথি পাননি। নির্দেশনার কপি হাতে পাওয়ার পরপরই আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলেও তারা নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন