অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) উপসচিব মোছা. শাম্মী আক্তারের বিরুদ্ধে কাস্টমস-সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণে অংশ নিতে মনোনীত কর্মকর্তার নাম পরিবর্তন করে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পাঠানো তালিকায় থাকা এক শুল্ক কর্মকর্তার নাম বাদ দিয়ে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠেয় প্রশিক্ষণে নিজের নাম যুক্ত করিয়ে সরকারি অনুমোদন (জিও) নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, আগামী ১০ থেকে ২১ আগস্ট মালয়েশিয়ায় ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আঙ্কটাড) অর্থায়নে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সিলেক্টিভিটি মডিউল শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিতে এনবিআর ছয়জন শুল্ক কর্মকর্তার নাম মনোনয়ন দিয়ে আইআরডিতে পাঠায়। পরে সরকারি আদেশ জারির সময় ওই তালিকায় পরিবর্তন আনা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আয়কর অনুবিভাগের দায়িত্বে থাকা উপসচিব মোছা. শাম্মী আক্তার কাস্টমস-সংশ্লিষ্ট এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন। ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রেও সময়ক্ষেপণের অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে সদ্য সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের অনুমোদনের মাধ্যমে এক শুল্ক কর্মকর্তার পরিবর্তে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি আদেশ জারি করানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোছা. শাম্মী আক্তারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে ছয়জন কর্মকর্তার নাম আইআরডিতে পাঠানো হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত সরকারি আদেশে পাঁচজন মনোনীত কর্মকর্তার পাশাপাশি উপসচিব শাম্মী আক্তারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী অন্য কর্মকর্তারা হলেন কাস্টমস অটোমেশনের প্রথম সচিব সামসুজ্জামান, দ্বিতীয় সচিব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, শুল্ক নীতির দ্বিতীয় সচিব মো. রেজাউল করিম, দ্বিতীয় সচিব সাকিব হোসেন এবং ইনজামাম উল হক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত, আবাসন ও অন্যান্য ব্যয় আঙ্কটাড বহন করবে। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন ২৬৭ মার্কিন ডলার ভাতা দেওয়ারও কথা রয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আঙ্কটাডের এই প্রশিক্ষণ মূলত কাস্টমস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের জন্য। সে কারণে কাস্টমসের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত কর্মকর্তাদের নাম মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে মন্ত্রণালয় থেকে একজন উপসচিবকে প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণটির বিষয়বস্তু উপসচিবের বর্তমান দায়িত্বের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) উপসচিব মোছা. শাম্মী আক্তারের বিরুদ্ধে কাস্টমস-সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণে অংশ নিতে মনোনীত কর্মকর্তার নাম পরিবর্তন করে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পাঠানো তালিকায় থাকা এক শুল্ক কর্মকর্তার নাম বাদ দিয়ে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠেয় প্রশিক্ষণে নিজের নাম যুক্ত করিয়ে সরকারি অনুমোদন (জিও) নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, আগামী ১০ থেকে ২১ আগস্ট মালয়েশিয়ায় ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আঙ্কটাড) অর্থায়নে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সিলেক্টিভিটি মডিউল শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিতে এনবিআর ছয়জন শুল্ক কর্মকর্তার নাম মনোনয়ন দিয়ে আইআরডিতে পাঠায়। পরে সরকারি আদেশ জারির সময় ওই তালিকায় পরিবর্তন আনা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আয়কর অনুবিভাগের দায়িত্বে থাকা উপসচিব মোছা. শাম্মী আক্তার কাস্টমস-সংশ্লিষ্ট এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন। ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রেও সময়ক্ষেপণের অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে সদ্য সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের অনুমোদনের মাধ্যমে এক শুল্ক কর্মকর্তার পরিবর্তে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি আদেশ জারি করানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোছা. শাম্মী আক্তারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে ছয়জন কর্মকর্তার নাম আইআরডিতে পাঠানো হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত সরকারি আদেশে পাঁচজন মনোনীত কর্মকর্তার পাশাপাশি উপসচিব শাম্মী আক্তারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী অন্য কর্মকর্তারা হলেন কাস্টমস অটোমেশনের প্রথম সচিব সামসুজ্জামান, দ্বিতীয় সচিব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, শুল্ক নীতির দ্বিতীয় সচিব মো. রেজাউল করিম, দ্বিতীয় সচিব সাকিব হোসেন এবং ইনজামাম উল হক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত, আবাসন ও অন্যান্য ব্যয় আঙ্কটাড বহন করবে। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন ২৬৭ মার্কিন ডলার ভাতা দেওয়ারও কথা রয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আঙ্কটাডের এই প্রশিক্ষণ মূলত কাস্টমস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের জন্য। সে কারণে কাস্টমসের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত কর্মকর্তাদের নাম মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে মন্ত্রণালয় থেকে একজন উপসচিবকে প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণটির বিষয়বস্তু উপসচিবের বর্তমান দায়িত্বের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়।

আপনার মতামত লিখুন