দৈনিক লাল বার্তা

যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতায় ভুগছে বেংনাই গ্রাম: ভেস্তে যাচ্ছে তরুণ-তরউনীদের বিয়ের স্বপ্ন



যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতায় ভুগছে বেংনাই গ্রাম: ভেস্তে যাচ্ছে তরুণ-তরউনীদের বিয়ের স্বপ্ন

আধুনিক সভ্যতার এই যুগে যেখানে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধন হচ্ছে, সেখানে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও মাত্র ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার অভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের একটি জনপদ। কোনো অর্থনৈতিক মন্দা বা পারিবারিক বিরোধ নয়, বরং যাতায়াত ব্যবস্থার চরম দূরবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ভেঙে যাচ্ছে এলাকার তরুণ-তরুণীদের বিয়ের সম্বন্ধ।

উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর ভাঙ্গা ব্রিজ থেকে বেংনাই বাজার পর্যন্ত ৩ কিলোমিটারের এই জরাজীর্ণ কাঁচা রাস্তাটি এখন সাত গ্রামের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষের জন্য এক চরম অভিশাপের নাম। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানানো হলেও তা কেবল আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রায়গঞ্জ-বৈকুণ্ঠপুর মূল সড়ক থেকে বেংনাই গ্রামে ঢোকার রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত করুণ। বর্ষাকালে এটি এক হাঁটু কাদা আর খানাখন্দে পরিণত হয়, আর শুষ্ক মৌসুমে ঢাকা পড়ে ধুলার চাদরে। এই দুর্গম রাস্তার কারণে বাইরের এলাকার মানুষ এই গ্রামে আত্মীয়তা করতে চান না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের এক ভুক্তভোগী  জানান:"গত মাসে আমার মেয়ের বিয়ের পাকা কথা হওয়ার কথা ছিল। ছেলের বাড়ির লোকজন গাড়ি নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু মূল রাস্তা থেকে আমাদের গ্রামে ঢোকার মুখে কাদা আর গর্তে তাদের গাড়ি আটকে যায়। প্রায় দুই কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কাদা মাড়িয়ে তাদের আমাদের বাড়ি আসতে হয়। এই চরম দুর্ভোগের পর তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে যান এবং পরে জানিয়ে দেন—এমন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রামে তারা ছেলের বিয়ে দেবেন না।"

শুধু কনের পরিবারই নয়, একই সমস্যায় ভুগছেন গ্রামের যোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত যুবকেরাও। অন্য গ্রামের অভিভাবকেরা তাঁদের মেয়েদের এমন দুর্গম এলাকায় পাঠাতে রাজি হন না, যেখানে জরুরি চিকিৎসায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ঢোকারও উপায় নেই। গ্রামের এক তরুণ আক্ষেপ করে বলেন, "সব যোগ্যতা থাকার পরও শুধু রাস্তার কারণে ৩-৪টি ভালো সম্বন্ধ হাতছাড়া হয়ে গেছে। কনের অভিভাবকেরা এসে যখন দেখেন বর্ষায় জুতো হাতে নিয়ে গ্রামে ঢুকতে হয়, তখনই তারা পিছিয়ে যান।"

গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে দুটি বাজার। এ ছাড়া রয়েছে একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বেংনাই বাজারের আশেপাশের অন্তত সাতটি গ্রামের মানুষ এবং শত শত স্কুল শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই সড়কটি ব্যবহার করে।

বর্ষাকালে স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের জামাকাপড় কাদায় নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

বেংনাই দরগাতলা বাজারের মুদি দোকানদার শামসুল ইসলাম বলেন, "একটু বৃষ্টি হলেই এই রাস্তায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে বাইসাইকেলে মালামাল টেনে আনতে হয়।" একই বাজারের চা পাতা ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম জানান, রাস্তার দুরবস্থার কারণে পুরো এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য এখন বন্ধের পথে।

ভালো রাস্তা না থাকায় কৃষকেরা উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে বাজারে তুলতে পারেন না। দরগাতলা বাজারের কৃষক মহির উদ্দিন বলেন, "রাস্তা খারাপ থাকায় মাঠের ফসল গ্রামেই কম দামে ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। আবার বীজ-সারসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ গ্রামে আনতেও দ্বিগুণ পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে।"

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় চিকিৎসা ক্ষেত্রে। ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে গর্বতবতী নারী বা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে খাটিয়ায় করে মূল সড়ক পর্যন্ত বয়ে নিয়ে যেতে হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পথেই এখানে একাধিক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

কিছুদিন আগে শুকুর আলীর সন্তানসম্ভবা মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে রাস্তার তীব্র ঝাঁকুনিতে পথেই তাঁর সন্তান প্রসব হয়ে যায়। এর আগে ফজলে করিম নামের এক গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রাস্তায় মারা যান।

ঢাকার পল্লবী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফেরদৌস আহমেদ জানান, রাস্তাটি পাকা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঙ্গাসী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন বলেন, "এই ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করার দাবি নিয়ে আমি নিজে বহু সরকারি অফিস-আদালতে ঘোরাঘুরি করেছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত শুধু আশ্বাসই পেয়েছি, বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।" একই গ্রামের ইলেকট্রিশিয়ান ফরিদুল ইসলাম কোমলমতি শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে অতি দ্রুত রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সমস্যার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাস্তাটি পাকা করার জন্য পরিষদ থেকে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম জানান:

"রাস্তাটি পাকাকরণ করার জন্য সদর দপ্তরে প্রাক্কলন পাঠানো হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদন এলে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করা হবে। তবে এর জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।"

প্রশাসনের এই চেনা আশ্বাসে আর ভরসা রাখতে পারছেন না ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। হাজার হাজার মানুষের কষ্ট লাঘবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা বেংনাই অঞ্চলবাসীর।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতায় ভুগছে বেংনাই গ্রাম: ভেস্তে যাচ্ছে তরুণ-তরউনীদের বিয়ের স্বপ্ন

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬

featured Image



আধুনিক সভ্যতার এই যুগে যেখানে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধন হচ্ছে, সেখানে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও মাত্র ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার অভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের একটি জনপদ। কোনো অর্থনৈতিক মন্দা বা পারিবারিক বিরোধ নয়, বরং যাতায়াত ব্যবস্থার চরম দূরবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ভেঙে যাচ্ছে এলাকার তরুণ-তরুণীদের বিয়ের সম্বন্ধ।


উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর ভাঙ্গা ব্রিজ থেকে বেংনাই বাজার পর্যন্ত ৩ কিলোমিটারের এই জরাজীর্ণ কাঁচা রাস্তাটি এখন সাত গ্রামের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষের জন্য এক চরম অভিশাপের নাম। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানানো হলেও তা কেবল আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।



সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রায়গঞ্জ-বৈকুণ্ঠপুর মূল সড়ক থেকে বেংনাই গ্রামে ঢোকার রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত করুণ। বর্ষাকালে এটি এক হাঁটু কাদা আর খানাখন্দে পরিণত হয়, আর শুষ্ক মৌসুমে ঢাকা পড়ে ধুলার চাদরে। এই দুর্গম রাস্তার কারণে বাইরের এলাকার মানুষ এই গ্রামে আত্মীয়তা করতে চান না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের এক ভুক্তভোগী  জানান:"গত মাসে আমার মেয়ের বিয়ের পাকা কথা হওয়ার কথা ছিল। ছেলের বাড়ির লোকজন গাড়ি নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু মূল রাস্তা থেকে আমাদের গ্রামে ঢোকার মুখে কাদা আর গর্তে তাদের গাড়ি আটকে যায়। প্রায় দুই কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কাদা মাড়িয়ে তাদের আমাদের বাড়ি আসতে হয়। এই চরম দুর্ভোগের পর তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে যান এবং পরে জানিয়ে দেন—এমন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রামে তারা ছেলের বিয়ে দেবেন না।"

শুধু কনের পরিবারই নয়, একই সমস্যায় ভুগছেন গ্রামের যোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত যুবকেরাও। অন্য গ্রামের অভিভাবকেরা তাঁদের মেয়েদের এমন দুর্গম এলাকায় পাঠাতে রাজি হন না, যেখানে জরুরি চিকিৎসায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ঢোকারও উপায় নেই। গ্রামের এক তরুণ আক্ষেপ করে বলেন, "সব যোগ্যতা থাকার পরও শুধু রাস্তার কারণে ৩-৪টি ভালো সম্বন্ধ হাতছাড়া হয়ে গেছে। কনের অভিভাবকেরা এসে যখন দেখেন বর্ষায় জুতো হাতে নিয়ে গ্রামে ঢুকতে হয়, তখনই তারা পিছিয়ে যান।"



গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে দুটি বাজার। এ ছাড়া রয়েছে একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বেংনাই বাজারের আশেপাশের অন্তত সাতটি গ্রামের মানুষ এবং শত শত স্কুল শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই সড়কটি ব্যবহার করে।


বর্ষাকালে স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের জামাকাপড় কাদায় নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

বেংনাই দরগাতলা বাজারের মুদি দোকানদার শামসুল ইসলাম বলেন, "একটু বৃষ্টি হলেই এই রাস্তায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে বাইসাইকেলে মালামাল টেনে আনতে হয়।" একই বাজারের চা পাতা ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম জানান, রাস্তার দুরবস্থার কারণে পুরো এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য এখন বন্ধের পথে।



ভালো রাস্তা না থাকায় কৃষকেরা উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে বাজারে তুলতে পারেন না। দরগাতলা বাজারের কৃষক মহির উদ্দিন বলেন, "রাস্তা খারাপ থাকায় মাঠের ফসল গ্রামেই কম দামে ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। আবার বীজ-সারসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ গ্রামে আনতেও দ্বিগুণ পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে।"



সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় চিকিৎসা ক্ষেত্রে। ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে গর্বতবতী নারী বা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে খাটিয়ায় করে মূল সড়ক পর্যন্ত বয়ে নিয়ে যেতে হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পথেই এখানে একাধিক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

কিছুদিন আগে শুকুর আলীর সন্তানসম্ভবা মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে রাস্তার তীব্র ঝাঁকুনিতে পথেই তাঁর সন্তান প্রসব হয়ে যায়। এর আগে ফজলে করিম নামের এক গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রাস্তায় মারা যান।


ঢাকার পল্লবী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফেরদৌস আহমেদ জানান, রাস্তাটি পাকা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঙ্গাসী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন বলেন, "এই ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করার দাবি নিয়ে আমি নিজে বহু সরকারি অফিস-আদালতে ঘোরাঘুরি করেছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত শুধু আশ্বাসই পেয়েছি, বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।" একই গ্রামের ইলেকট্রিশিয়ান ফরিদুল ইসলাম কোমলমতি শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে অতি দ্রুত রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানান।


এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সমস্যার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাস্তাটি পাকা করার জন্য পরিষদ থেকে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।


উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম জানান:

"রাস্তাটি পাকাকরণ করার জন্য সদর দপ্তরে প্রাক্কলন পাঠানো হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদন এলে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করা হবে। তবে এর জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।"

প্রশাসনের এই চেনা আশ্বাসে আর ভরসা রাখতে পারছেন না ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। হাজার হাজার মানুষের কষ্ট লাঘবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা বেংনাই অঞ্চলবাসীর।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা