সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে দীর্ঘদিন ধরে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গার প্রবেশদ্বারে এভাবে ময়লার স্তূপ তৈরি হওয়ায় চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, তাঁদের স্বজন এবং স্থানীয় পথচারীরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালের ঝাড়ুদারদের গেটের সামনে ময়লা ফেলতে নিষেধ করা হলেও তাঁরা কোনো কর্ণপাত করছেন না। উল্টো তাঁরা দাবি করছেন, এটি পৌরসভার নির্দেশ। শুধু হাসপাতাল গেটই নয়, তাড়াশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও যেখানে-সেখানে এভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার কারণে পুরো এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় সচেতন মহলে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে এক স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন,আমাদের পৌরসভায় কি কয়েকটা ডাস্টবিন বানানোর মতো টাকা নেই? হাসপাতালের মেইন গেটের সামনে এভাবে ময়লা ফেলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। পৌরসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জোর অনুরোধ, দয়া করে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিন এবং হাসপাতাল গেট বাদ দিয়ে অন্য কোথাও ময়লা ফেলার নির্দেশ দিন।"
ভুক্তভোগীরা জানান, হাসপাতালের গেটে ময়লা পচে দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণে নাক চেপে যাতায়াত করতে হয়। বাতাসে এই দুর্গন্ধ ও জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে প্রতিনিয়ত হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। ফলে সুস্থ হতে এসে উল্টো নতুন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে তাড়াশ পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত বর্জ্য অপসারণ এবং নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন স্থাপনের মাধ্যমে একটি স্থায়ী ও পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে দীর্ঘদিন ধরে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গার প্রবেশদ্বারে এভাবে ময়লার স্তূপ তৈরি হওয়ায় চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, তাঁদের স্বজন এবং স্থানীয় পথচারীরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালের ঝাড়ুদারদের গেটের সামনে ময়লা ফেলতে নিষেধ করা হলেও তাঁরা কোনো কর্ণপাত করছেন না। উল্টো তাঁরা দাবি করছেন, এটি পৌরসভার নির্দেশ। শুধু হাসপাতাল গেটই নয়, তাড়াশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও যেখানে-সেখানে এভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার কারণে পুরো এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় সচেতন মহলে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে এক স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন,আমাদের পৌরসভায় কি কয়েকটা ডাস্টবিন বানানোর মতো টাকা নেই? হাসপাতালের মেইন গেটের সামনে এভাবে ময়লা ফেলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। পৌরসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জোর অনুরোধ, দয়া করে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিন এবং হাসপাতাল গেট বাদ দিয়ে অন্য কোথাও ময়লা ফেলার নির্দেশ দিন।"
ভুক্তভোগীরা জানান, হাসপাতালের গেটে ময়লা পচে দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণে নাক চেপে যাতায়াত করতে হয়। বাতাসে এই দুর্গন্ধ ও জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে প্রতিনিয়ত হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। ফলে সুস্থ হতে এসে উল্টো নতুন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে তাড়াশ পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত বর্জ্য অপসারণ এবং নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন স্থাপনের মাধ্যমে একটি স্থায়ী ও পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন