সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদের বাড়ি, সড়কের ধারে, পুকুর পাড়ে ও বাগানে গাছে গাছে ঝুলছে জাতীয় ফল রসালো কাঁঠাল। শুধু গ্রামে নয়, শহরের বিভিন্ন এলাকার গাছগুলোতে ধরেছে কাঁঠাল। প্রতিটি কাঁঠাল গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত এখন শোভা পাচ্ছে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এই ফলটি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল ও তরকারি হিসেবে কাঁঠাল যুগ যুগ ধরে কদর পেয়ে আসছে।
রসালো ফল কাঁঠালের বিচি কাজিপুর উপজেলার মানুষের একটি ঐতিহ্যবাহী তরকারি। বিশেষ করে কাঁঠালের বিচি দিয়ে ভর্তা তৈরি করে খাওয়া যায়, যা সকলেই পছন্দ করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শাক ও কাঁঠালের বিচির সমন্বয়ে রান্না করা তরকারি এখানকার মানুষ তৃপ্তির সাথে ভাতের সঙ্গে খায়।
এ ছাড়া গবাদিপশুর জন্যও কাঁঠালের ছাল উন্নতমানের গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কাজিপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি, সড়কের দু’ধারে, জঙ্গলের ভেতরেও ভালো ফলন হয়েছে কাঁঠালের। পুকুর বা বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে কাঁঠাল গাছে থোকায় থোকায় ধরেছে প্রচুর পরিমাণে জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠাল গাছে সমানতালে ফল ধরেছে এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যে কাঁঠালগুলো পাকতে শুরু হলে হাট-বাজারে বিক্রি করা যাবে।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম ও কাঁঠাল গাছের মালিকেরা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর কাঁঠালের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা। #

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদের বাড়ি, সড়কের ধারে, পুকুর পাড়ে ও বাগানে গাছে গাছে ঝুলছে জাতীয় ফল রসালো কাঁঠাল। শুধু গ্রামে নয়, শহরের বিভিন্ন এলাকার গাছগুলোতে ধরেছে কাঁঠাল। প্রতিটি কাঁঠাল গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত এখন শোভা পাচ্ছে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এই ফলটি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল ও তরকারি হিসেবে কাঁঠাল যুগ যুগ ধরে কদর পেয়ে আসছে।
রসালো ফল কাঁঠালের বিচি কাজিপুর উপজেলার মানুষের একটি ঐতিহ্যবাহী তরকারি। বিশেষ করে কাঁঠালের বিচি দিয়ে ভর্তা তৈরি করে খাওয়া যায়, যা সকলেই পছন্দ করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শাক ও কাঁঠালের বিচির সমন্বয়ে রান্না করা তরকারি এখানকার মানুষ তৃপ্তির সাথে ভাতের সঙ্গে খায়।
এ ছাড়া গবাদিপশুর জন্যও কাঁঠালের ছাল উন্নতমানের গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কাজিপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি, সড়কের দু’ধারে, জঙ্গলের ভেতরেও ভালো ফলন হয়েছে কাঁঠালের। পুকুর বা বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে কাঁঠাল গাছে থোকায় থোকায় ধরেছে প্রচুর পরিমাণে জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠাল গাছে সমানতালে ফল ধরেছে এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যে কাঁঠালগুলো পাকতে শুরু হলে হাট-বাজারে বিক্রি করা যাবে।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম ও কাঁঠাল গাছের মালিকেরা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর কাঁঠালের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা। #

আপনার মতামত লিখুন