দৈনিক লাল বার্তা

৫০ বছর পর সেতু হলেও কমেনি জনভোগান্তির



৫০ বছর পর সেতু হলেও কমেনি  জনভোগান্তির

দাবির মুখে প্রায় অর্ধশত বছর পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার্থে একটি ৫০ ফিট দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের সড়াতৈল গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়া ফুলজোর শাখা নদীর ওপর এই সেতু হওয়াতে এলাকাবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা কিছুটা উন্নত হলেও, সংযোগ সড়কের বেহাল দশায় সেই আনন্দ এখন মাটি হতে বসেছে।

এলাকাবাসী জানায়, এই শাখা নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হলেও গাইডওয়াল না দেওয়ার কারণে নদীর ধারে গড়ে তোলা রাস্তাটি ভেঙে যাচ্ছে। তাছাড়া চলমান বর্ষার বৃষ্টিতেও এই সড়কের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সেতুর দুই ধারের সংযোগ সড়কে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পথচারী, রিকশা-ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হওয়া এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সড়াতৈল গ্রামের শিক্ষাবিদ আব্দুল মান্নান তালুকদার ও সমাজকর্মী বাবলা তালুকদারসহ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা দূরীকরণে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে এলাকাবাসীকে। অবশেষে সেতুটি নির্মাণ করলেও বর্তমান সড়কের যে পরিস্থিতি, তা যেকোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা বয়ে আনতে পারে।

স্থানীয় শিক্ষার্থী সায়মা ও রাতুল জানায়, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে রিকশা তো দূরের কথা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পায়ে হেঁটে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা আরও জানায়, প্রতিবছর জুন থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত এই নদীতে পানি থাকে। পূর্বে নদীতে সেতু না থাকায় এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হতো। এখন সেতু হলেও সড়কের অভাবে দুর্ভোগ কাটেনি।

উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান ভূঁইয়া জানান, সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার কথা তিনি জেনেছেন। অতিসত্বর এই সমস্যা দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


৫০ বছর পর সেতু হলেও কমেনি জনভোগান্তির

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image



দাবির মুখে প্রায় অর্ধশত বছর পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার্থে একটি ৫০ ফিট দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের সড়াতৈল গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়া ফুলজোর শাখা নদীর ওপর এই সেতু হওয়াতে এলাকাবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা কিছুটা উন্নত হলেও, সংযোগ সড়কের বেহাল দশায় সেই আনন্দ এখন মাটি হতে বসেছে।


এলাকাবাসী জানায়, এই শাখা নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হলেও গাইডওয়াল না দেওয়ার কারণে নদীর ধারে গড়ে তোলা রাস্তাটি ভেঙে যাচ্ছে। তাছাড়া চলমান বর্ষার বৃষ্টিতেও এই সড়কের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সেতুর দুই ধারের সংযোগ সড়কে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পথচারী, রিকশা-ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হওয়া এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।


সড়াতৈল গ্রামের শিক্ষাবিদ আব্দুল মান্নান তালুকদার ও সমাজকর্মী বাবলা তালুকদারসহ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা দূরীকরণে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে এলাকাবাসীকে। অবশেষে সেতুটি নির্মাণ করলেও বর্তমান সড়কের যে পরিস্থিতি, তা যেকোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা বয়ে আনতে পারে।


স্থানীয় শিক্ষার্থী সায়মা ও রাতুল জানায়, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে রিকশা তো দূরের কথা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পায়ে হেঁটে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা আরও জানায়, প্রতিবছর জুন থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত এই নদীতে পানি থাকে। পূর্বে নদীতে সেতু না থাকায় এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হতো। এখন সেতু হলেও সড়কের অভাবে দুর্ভোগ কাটেনি।


উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান ভূঁইয়া জানান, সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার কথা তিনি জেনেছেন। অতিসত্বর এই সমস্যা দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা