ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাঁদনী বেগম নামের এক মা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। শিশুদের মধ্যে তিনজন কন্যা ও দুইজন ছেলে বলে জানা গেছে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের স্টাফ নার্স মিনতি সরকার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদনী বেগম নামে এক গৃহকর্ত্রী প্রসব বেদনা নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এরপর দুইটা সাত মিনিট থেকে পাঁচটা পর্যন্ত নরমালী পাঁচ শিশুর সন্তান জন্ম হয়। শিশুগুলোর মধ্যে কোনটি ৬ শত গ্রাম কোনোটি ৩৪০ গ্রাম আবার ৭ শত ২০ গ্রাম ও ৮শত ১৫ গ্রাম ওজনের হয়েছে।
স্টাফ নার্স আরো জানায়, সাত মাস বয়সে পাঁচ বাচ্চা হওয়ায় কোনটির ওজন পরিপূর্ণ হয় নাই। এদের মধ্যে অনেকের এখনো চাখ ফোটে নাই।
ফলে বাচ্চাগুলো এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
চাঁদনীর পিতা জেলার নগরকান্দা উপজেলার পুরাপারা গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্লা জানান, মেয়ের বাচ্চা জনিত প্রসব বেদনা নিয়ে দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে নরমালি পাঁচটা বাচ্চা জন্ম হয়। বর্তমানে একটি বাচ্চা মারা গেলেও বাকি চার চার জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এবং চাঁদনীও অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আরো জানা গেছে উপজেলার ভবুকদিয়ার হাসান মোল্লা সাথে বছরখানেক আগে কান্দারপুরা পাড়ার জাহাঙ্গীর মোল্লার মেয়ে চাদনীর বিবাহ হয়। স্বামী হাসান মোল্লা বিদেশে যাবে বলে তাদের প্রথম বাচ্চা নেওয়া,চাঁদনী বর্তমানে একটি কলেজে অনার্সের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এটা তার প্রথম বাচ্চা প্রসব হলো। পরবর্তীতে চার টি শিশু মারা যায় বতর্মানে একটি শিশু জীবিত আছে।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাঁদনী বেগম নামের এক মা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। শিশুদের মধ্যে তিনজন কন্যা ও দুইজন ছেলে বলে জানা গেছে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের স্টাফ নার্স মিনতি সরকার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদনী বেগম নামে এক গৃহকর্ত্রী প্রসব বেদনা নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এরপর দুইটা সাত মিনিট থেকে পাঁচটা পর্যন্ত নরমালী পাঁচ শিশুর সন্তান জন্ম হয়। শিশুগুলোর মধ্যে কোনটি ৬ শত গ্রাম কোনোটি ৩৪০ গ্রাম আবার ৭ শত ২০ গ্রাম ও ৮শত ১৫ গ্রাম ওজনের হয়েছে।
স্টাফ নার্স আরো জানায়, সাত মাস বয়সে পাঁচ বাচ্চা হওয়ায় কোনটির ওজন পরিপূর্ণ হয় নাই। এদের মধ্যে অনেকের এখনো চাখ ফোটে নাই।
ফলে বাচ্চাগুলো এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
চাঁদনীর পিতা জেলার নগরকান্দা উপজেলার পুরাপারা গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্লা জানান, মেয়ের বাচ্চা জনিত প্রসব বেদনা নিয়ে দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে নরমালি পাঁচটা বাচ্চা জন্ম হয়। বর্তমানে একটি বাচ্চা মারা গেলেও বাকি চার চার জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এবং চাঁদনীও অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আরো জানা গেছে উপজেলার ভবুকদিয়ার হাসান মোল্লা সাথে বছরখানেক আগে কান্দারপুরা পাড়ার জাহাঙ্গীর মোল্লার মেয়ে চাদনীর বিবাহ হয়। স্বামী হাসান মোল্লা বিদেশে যাবে বলে তাদের প্রথম বাচ্চা নেওয়া,চাঁদনী বর্তমানে একটি কলেজে অনার্সের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এটা তার প্রথম বাচ্চা প্রসব হলো। পরবর্তীতে চার টি শিশু মারা যায় বতর্মানে একটি শিশু জীবিত আছে।

আপনার মতামত লিখুন