সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে স্থানীয় এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটকের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ নাটকীয়তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের মাধ্যমে ঘটনার আইনি ও সামাজিক সুরাহা হয়েছে।
শনিবার গভীর রাতে দেড়াগাতী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি মসজিদের ইমামকে স্থানীয়রা এক নারীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন। এ সময় গ্রামজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় মাতব্বর ও এলাকাবাসী সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর ইমাম সাহেবকে অভিযুক্ত নারীর সাথে বিয়ের শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। উভয় পক্ষের সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিন ধার্য করা হয়।
রোববার স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর ইমাম সাহেব তার নতুন স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যান।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, উভয় পরিবার ও স্থানীয় মুরব্বিদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে তার শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হয়েছে। ইমাম সাহেব যেহেতু আইনগত ও সামাজিকভাবে দায়বদ্ধতা স্বীকার করেছেন, তাই তাকে বিয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই ইমাম এলাকায় দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ ও মুসল্লিদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিয়ের মধ্য দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা হওয়ায় এলাকায় আপাতত উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে স্থানীয় এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটকের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ নাটকীয়তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের মাধ্যমে ঘটনার আইনি ও সামাজিক সুরাহা হয়েছে।
শনিবার গভীর রাতে দেড়াগাতী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি মসজিদের ইমামকে স্থানীয়রা এক নারীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন। এ সময় গ্রামজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় মাতব্বর ও এলাকাবাসী সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর ইমাম সাহেবকে অভিযুক্ত নারীর সাথে বিয়ের শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। উভয় পক্ষের সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিন ধার্য করা হয়।
রোববার স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর ইমাম সাহেব তার নতুন স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যান।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, উভয় পরিবার ও স্থানীয় মুরব্বিদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে তার শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হয়েছে। ইমাম সাহেব যেহেতু আইনগত ও সামাজিকভাবে দায়বদ্ধতা স্বীকার করেছেন, তাই তাকে বিয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই ইমাম এলাকায় দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ ও মুসল্লিদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিয়ের মধ্য দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা হওয়ায় এলাকায় আপাতত উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন