সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রয় নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার চান্দাইকোনা, ব্রহ্মগাছা, পাঙ্গাসী, ঘুড়কা, ভুইয়াগাতি, নিমগাছি ও সলঙ্গা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে অবাধে পিরানহা মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বাজারে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ এই মাছ বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো অভিযান বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে বিক্রেতারা অনেকটা নির্বিঘ্নেই এসব মাছ বিক্রি করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পিরানহা দেখতে অনেকটা পাঙাশ মাছের মতো হওয়ায় অনেক ক্রেতা না জেনেই এটি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে কম দামে মাছ পাওয়ার আশায় নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে এসব মাছের চাহিদা তৈরি হচ্ছে বলে তারা জানান।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পিরানহা মাছ বিক্রির বিষয়টি উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অবগত করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, নিষিদ্ধ মাছ বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হলে এভাবে প্রকাশ্যে পিরানহা বিক্রি করা সম্ভব হতো না। তবে উপজেলা মৎস্য অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই মাছ বিক্রিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত—এমন অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ তারা উপস্থাপন করতে পারেননি।
স্থানীয়দের কেউ কেউ উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তা বা দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। এমনকি কারও কারও দাবি, সংশ্লিষ্টদের নীরবতার কারণেই বিক্রেতারা উৎসাহিত হচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, পিরানহা মাছ বিক্রি ও বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে বাজারগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
রায়গঞ্জ উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে আমরা বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করেছি। তথ্য পেলে সকল জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রয় নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার চান্দাইকোনা, ব্রহ্মগাছা, পাঙ্গাসী, ঘুড়কা, ভুইয়াগাতি, নিমগাছি ও সলঙ্গা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে অবাধে পিরানহা মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বাজারে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ এই মাছ বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো অভিযান বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে বিক্রেতারা অনেকটা নির্বিঘ্নেই এসব মাছ বিক্রি করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পিরানহা দেখতে অনেকটা পাঙাশ মাছের মতো হওয়ায় অনেক ক্রেতা না জেনেই এটি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে কম দামে মাছ পাওয়ার আশায় নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে এসব মাছের চাহিদা তৈরি হচ্ছে বলে তারা জানান।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পিরানহা মাছ বিক্রির বিষয়টি উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অবগত করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, নিষিদ্ধ মাছ বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হলে এভাবে প্রকাশ্যে পিরানহা বিক্রি করা সম্ভব হতো না। তবে উপজেলা মৎস্য অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই মাছ বিক্রিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত—এমন অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ তারা উপস্থাপন করতে পারেননি।
স্থানীয়দের কেউ কেউ উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তা বা দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। এমনকি কারও কারও দাবি, সংশ্লিষ্টদের নীরবতার কারণেই বিক্রেতারা উৎসাহিত হচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, পিরানহা মাছ বিক্রি ও বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে বাজারগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
রায়গঞ্জ উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে আমরা বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করেছি। তথ্য পেলে সকল জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন