জামালপুরে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এক নারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার সওনিয়া বাঁশচড়া গ্রামের মো.বাদলের স্ত্রী মোসাম্মৎ রিনা বেগম দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ আদালত তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই বিবাদী পক্ষের আইনজীবীর জেরার মুখেও তিনি তাঁর আগের দেওয়া জবানবন্দিতে অটল থাকেন। তবে পরবর্তীকালে আদালতের কাছে এটি স্পষ্ট হয় যে, রিনা বেগম মো. সাগর ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে,২০১৭ সালের ১ এপ্রিল ওই ব্যক্তিরা তাঁর মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণ করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারায় একটি মামলা নথিভুক্ত করার জন্য চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
জামালপুরে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এক নারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার সওনিয়া বাঁশচড়া গ্রামের মো.বাদলের স্ত্রী মোসাম্মৎ রিনা বেগম দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ আদালত তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই বিবাদী পক্ষের আইনজীবীর জেরার মুখেও তিনি তাঁর আগের দেওয়া জবানবন্দিতে অটল থাকেন। তবে পরবর্তীকালে আদালতের কাছে এটি স্পষ্ট হয় যে, রিনা বেগম মো. সাগর ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে,২০১৭ সালের ১ এপ্রিল ওই ব্যক্তিরা তাঁর মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণ করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারায় একটি মামলা নথিভুক্ত করার জন্য চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন