ফরিদপুরের মধুখালীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাফিজার শেখ (৫৯) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত হাফিজার শেখ মধুখালী উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পারিবারিক সম্মতিতে হাফিজারের ছেলের সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই অভিযুক্ত শ্বশুর ওই নারীকে বিভিন্ন সময় অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে একাধিকবার পারিবারিক সালিশ দরবার হলেও হাফিজার তার আচরণ শুধরাননি।
অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে কৌশলে ভুক্তভোগীকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন হাফিজার। ঘটনাটি লোকলজ্জার ভয়ে চেপে না গিয়ে ভুক্তভোগী নারী তার বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে মধুখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে মধুখালী থানার এসআই সৈয়দ তোফাজ্জল হোসেন ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হাফিজার শেখকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই দৃষ্টান্তমূলক রায় প্রদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের মধুখালীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাফিজার শেখ (৫৯) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত হাফিজার শেখ মধুখালী উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পারিবারিক সম্মতিতে হাফিজারের ছেলের সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই অভিযুক্ত শ্বশুর ওই নারীকে বিভিন্ন সময় অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে একাধিকবার পারিবারিক সালিশ দরবার হলেও হাফিজার তার আচরণ শুধরাননি।
অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে কৌশলে ভুক্তভোগীকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন হাফিজার। ঘটনাটি লোকলজ্জার ভয়ে চেপে না গিয়ে ভুক্তভোগী নারী তার বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে মধুখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে মধুখালী থানার এসআই সৈয়দ তোফাজ্জল হোসেন ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হাফিজার শেখকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই দৃষ্টান্তমূলক রায় প্রদান করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন