দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমন ধান চাষাবাদের জন্য দেশজুড়ে খ্যাতি অর্জন করা এই অঞ্চলে এবার বাম্পার ফলন হওয়ায় দারুণ খুশি স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকদের আমন ক্ষেতের সোনালী শীষ বাতাসে দোল খাচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, এ বছর কিছু কিছু জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা দিলেও এবং শুরুতে সারের কিছুটা সংকট তৈরি হলেও তারা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা এবার আশানুরূপ ফলন পাওয়ার আশা করছেন। আগাম জাতের আমন ধান ইতোমধ্যে কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। এই ধান ঘরে তোলার পর ওই জমিতেই আগাম আলু চাষাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা। তাদের ধারণা, প্রতি বিঘা জমিতে ১৬ থেকে ১৮ মণ পর্যন্ত ধানের ফলন পাওয়া যাবে।
এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির কারণে ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এবারে আমন ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর, তবে তা ছাড়িয়ে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান জানান, এ বছর মাঠের সার্বিক চিত্র খুবই ভালো। কৃষকদের সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে, যার ফলে কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে তুলতে পেরে কৃষকরা আনন্দিত।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমন ধান চাষাবাদের জন্য দেশজুড়ে খ্যাতি অর্জন করা এই অঞ্চলে এবার বাম্পার ফলন হওয়ায় দারুণ খুশি স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকদের আমন ক্ষেতের সোনালী শীষ বাতাসে দোল খাচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, এ বছর কিছু কিছু জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা দিলেও এবং শুরুতে সারের কিছুটা সংকট তৈরি হলেও তারা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা এবার আশানুরূপ ফলন পাওয়ার আশা করছেন। আগাম জাতের আমন ধান ইতোমধ্যে কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। এই ধান ঘরে তোলার পর ওই জমিতেই আগাম আলু চাষাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা। তাদের ধারণা, প্রতি বিঘা জমিতে ১৬ থেকে ১৮ মণ পর্যন্ত ধানের ফলন পাওয়া যাবে।
এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির কারণে ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এবারে আমন ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর, তবে তা ছাড়িয়ে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান জানান, এ বছর মাঠের সার্বিক চিত্র খুবই ভালো। কৃষকদের সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে, যার ফলে কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে তুলতে পেরে কৃষকরা আনন্দিত।

আপনার মতামত লিখুন