দৈনিক লাল বার্তা

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৪১তম মৃত্যু দিবস আজ



মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৪১তম মৃত্যু দিবস আজ

অগ্নি পুরুষ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯০০ সালের ২৭

নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া

গ্রামে এক পীর বংশে জন্ম গ্রহণ করেন।তার পিতার

নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা।

আজীবন সংগ্রামী মানুষ ছিলেন মাওলানা আব্দুর

রশিদ তর্কবাগীশ।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সলঙ্গা হাটে বিট্রিশ পুলিশের নির্বিচারে গুলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়।যা ইতিহাসে রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ নামে খ্যাত।

১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার দাবীরত ছাত্রদের উপর পুলিশের গুলি বর্ষন করে হতাহত করার প্রতিবাদে মাওলানা তর্কবাগীশ আইন পরিষদে সর্ব প্রথম তুমুল প্রতিবাদের ঝড় তোলেন।১৯৫৫ সালে ১২ আগষ্ট পাকিস্তানের গণ পরিষদে রাষ্টীয় ভাষা বাংলার দাবীতে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেন।১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতিরদায়িত্ব পালন করেন।মাওলানা তর্কবাগীশ খেলাফত আন্দোলন,কৃষক আন্দোলন,১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন,৫৪'র যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন,,৬৯'র গণ অভ্যুথ্থান,১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে অনন্য অবদান সহ দেশ ও জাতীর

ক্রান্তিকালে সকল মুক্তির আন্দোলনে পুরো সামনে

থেকে জাতির অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থেকেছেন

আজীবন ।

স্বাধীনতা অর্জনের পরই মাওলানা তর্কবাগীশের প্রচেষ্টায় মাদ্রাসা শিক্ষা পুনরায় চালু করে মাদ্রাসা শিক্ষা বোডর্র চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকিকরণ ও একে বিজ্ঞান সম্মত রুপদান করেন।তিনিই প্রথম রেডিও ও টেলিভিশনে কোরআন তেলোয়াতের নিয়ম চালু করেন।আজীবন সংগ্রামী এই মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ৮৬ বছর বয়সে ১৯৮৬ সালে ঢাকার পিজি হাসপাতালে দেশবাসীকে কাঁদিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা ডাকে সারা দিয়ে স্বীয় রবের সান্নিধ্যে চলে যান।এই মহান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের মৃত্যুবার্ষিকীেতে তারই স্মৃতি বিজোড়িত সলঙ্গা থানাকে পৌরসভা ও উপজেলার মর্যাদা দিয়ে তার স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্য এ থানায় বসবাসরত প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষ বর্তমান সরকারের কাছে জোর দাবী জানায়।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৪১তম মৃত্যু দিবস আজ

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image



অগ্নি পুরুষ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯০০ সালের ২৭

নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া

গ্রামে এক পীর বংশে জন্ম গ্রহণ করেন।তার পিতার

নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা।

আজীবন সংগ্রামী মানুষ ছিলেন মাওলানা আব্দুর

রশিদ তর্কবাগীশ।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সলঙ্গা হাটে বিট্রিশ পুলিশের নির্বিচারে গুলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়।যা ইতিহাসে রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ নামে খ্যাত।

১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার দাবীরত ছাত্রদের উপর পুলিশের গুলি বর্ষন করে হতাহত করার প্রতিবাদে মাওলানা তর্কবাগীশ আইন পরিষদে সর্ব প্রথম তুমুল প্রতিবাদের ঝড় তোলেন।১৯৫৫ সালে ১২ আগষ্ট পাকিস্তানের গণ পরিষদে রাষ্টীয় ভাষা বাংলার দাবীতে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেন।১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতিরদায়িত্ব পালন করেন।মাওলানা তর্কবাগীশ খেলাফত আন্দোলন,কৃষক আন্দোলন,১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন,৫৪'র যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন,,৬৯'র গণ অভ্যুথ্থান,১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে অনন্য অবদান সহ দেশ ও জাতীর

ক্রান্তিকালে সকল মুক্তির আন্দোলনে পুরো সামনে

থেকে জাতির অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থেকেছেন

আজীবন ।

স্বাধীনতা অর্জনের পরই মাওলানা তর্কবাগীশের প্রচেষ্টায় মাদ্রাসা শিক্ষা পুনরায় চালু করে মাদ্রাসা শিক্ষা বোডর্র চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকিকরণ ও একে বিজ্ঞান সম্মত রুপদান করেন।তিনিই প্রথম রেডিও ও টেলিভিশনে কোরআন তেলোয়াতের নিয়ম চালু করেন।আজীবন সংগ্রামী এই মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ৮৬ বছর বয়সে ১৯৮৬ সালে ঢাকার পিজি হাসপাতালে দেশবাসীকে কাঁদিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা ডাকে সারা দিয়ে স্বীয় রবের সান্নিধ্যে চলে যান।এই মহান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের মৃত্যুবার্ষিকীেতে তারই স্মৃতি বিজোড়িত সলঙ্গা থানাকে পৌরসভা ও উপজেলার মর্যাদা দিয়ে তার স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্য এ থানায় বসবাসরত প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষ বর্তমান সরকারের কাছে জোর দাবী জানায়।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা