সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় বিয়ের কাবিন করাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পারিবারিক বিরোধের জেরে দুলাভাইকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে একটি মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাড়াশ উপজেলার কুন্দাশন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের পাঁচদেউলি গ্রামের মো. বাদল মিয়ার মেয়ে রুমানা খাতুনের সঙ্গে তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের কুন্দাশন গ্রামের মো. আব্দুল লতিফের ছেলে মো. নাজমুল হকের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের কোনো কাবিননামা না থাকায় গত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে স্বামী নাজমুল হকের সঙ্গে সংসার করবেন না জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান রুমানা খাতুন।
পরবর্তীতে স্বামী নাজমুল হকের সঙ্গে পুনরায় সংসার করার কথা বলে গত ৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নাজমুল ও তার মাকে পিঠে খাওয়ার দাওয়াত দিয়ে তার শশুড় বাদল মিয়া ডেকে নেন তার বাড়িতে। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের কাবিন করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এছাড়া নাজমুলের দুলাভাই বেলাল হোসেনকে ফোনে কাবিনের বিষয়ে বলা হলে তিনি রাজি না হওয়ায় তাদের আটকে রাখা হয়।
গত ৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ৯৯৯-এ কল পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ বিশালপুর ইউনিয়নের পাঁচদেউলী গ্রামের বাদল মিয়ার বাড়ি থেকে অবরুদ্ধ স্বামী নাজমুল হক ও তার মাকে উদ্ধার করেন।
এই ঘটনার জেরে নাজমুলের স্ত্রী রুমানা খাতুন স্বামী নাজমুলের দুলাভাই বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে তাড়াশ থানায় একটি মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগ দায়ের করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. বেলাল হোসেন বলেন, "আমার শ্যালক নাজমুল হকের বিয়ে আমি দিইনি। নাজমুলের বাড়ির পাশের নবির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি কাবিন ছাড়াই তাকে বিয়ে করিয়েছেন। এই কাবিন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই আমার ওপর মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে রুমানা খাতুনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমাম জাফর জানান, অভিযোগে যে তারিখের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, অনুসন্ধানে দেখা গেছে ওই দিন মেয়েটি ঘটনাস্থলে ছিল না, বরং সে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিল। এ কারণে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় বিয়ের কাবিন করাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পারিবারিক বিরোধের জেরে দুলাভাইকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে একটি মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাড়াশ উপজেলার কুন্দাশন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের পাঁচদেউলি গ্রামের মো. বাদল মিয়ার মেয়ে রুমানা খাতুনের সঙ্গে তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের কুন্দাশন গ্রামের মো. আব্দুল লতিফের ছেলে মো. নাজমুল হকের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের কোনো কাবিননামা না থাকায় গত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে স্বামী নাজমুল হকের সঙ্গে সংসার করবেন না জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান রুমানা খাতুন।
পরবর্তীতে স্বামী নাজমুল হকের সঙ্গে পুনরায় সংসার করার কথা বলে গত ৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নাজমুল ও তার মাকে পিঠে খাওয়ার দাওয়াত দিয়ে তার শশুড় বাদল মিয়া ডেকে নেন তার বাড়িতে। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের কাবিন করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এছাড়া নাজমুলের দুলাভাই বেলাল হোসেনকে ফোনে কাবিনের বিষয়ে বলা হলে তিনি রাজি না হওয়ায় তাদের আটকে রাখা হয়।
গত ৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ৯৯৯-এ কল পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ বিশালপুর ইউনিয়নের পাঁচদেউলী গ্রামের বাদল মিয়ার বাড়ি থেকে অবরুদ্ধ স্বামী নাজমুল হক ও তার মাকে উদ্ধার করেন।
এই ঘটনার জেরে নাজমুলের স্ত্রী রুমানা খাতুন স্বামী নাজমুলের দুলাভাই বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে তাড়াশ থানায় একটি মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগ দায়ের করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. বেলাল হোসেন বলেন, "আমার শ্যালক নাজমুল হকের বিয়ে আমি দিইনি। নাজমুলের বাড়ির পাশের নবির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি কাবিন ছাড়াই তাকে বিয়ে করিয়েছেন। এই কাবিন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই আমার ওপর মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে রুমানা খাতুনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমাম জাফর জানান, অভিযোগে যে তারিখের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, অনুসন্ধানে দেখা গেছে ওই দিন মেয়েটি ঘটনাস্থলে ছিল না, বরং সে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিল। এ কারণে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন