নাটোরের সিংড়ায় জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে রোপণকৃত ধানের চারায় বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে পুড়িয়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে আঃ জলিল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আয়োজিত গ্রাম্য সালিশের সিদ্ধান্ত না মেনে উল্টো সালিশকারীদের বিরুদ্ধেই আদালতে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উপজেলার ছাতার দিঘী ইউনিয়নের উদিশা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
রবিবার (১৬ আগষ্ট) দুপুর ১২ টায় উদিশা গ্রামে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আনিছুর রহমান ও স্থানীয় গ্রাম প্রধান আলম জানান, আঃ জলিলের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে সম্প্রতি আঃ জলিল ও তার সঙ্গীরা আনিছুরের জমিতে রোপণ করা ধানের চারায় গোপনে বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করে তা পুড়িয়ে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হলে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন স্থানীয় মাতব্বররা। আইনগত ও সামাজিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অভিজ্ঞ সিভিল উকিল এবং গ্রামের প্রবীণদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে আঃ জলিল ও তার সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং ভুক্তভোগী পরিবারসহ সালিশকারীদের হয়রানি করতে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন আঃ জলিল।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাতব্বররা বলেন, গ্রামের শান্তি-শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই তারা শালিসে বসেছিলেন। কিন্তু এভাবে শালিসকারীদের নামেই মিথ্যা মামলা দিয়ে সামাজিক ব্যবস্থা বিনষ্টের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
নাটোরের সিংড়ায় জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে রোপণকৃত ধানের চারায় বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে পুড়িয়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে আঃ জলিল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আয়োজিত গ্রাম্য সালিশের সিদ্ধান্ত না মেনে উল্টো সালিশকারীদের বিরুদ্ধেই আদালতে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উপজেলার ছাতার দিঘী ইউনিয়নের উদিশা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
রবিবার (১৬ আগষ্ট) দুপুর ১২ টায় উদিশা গ্রামে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আনিছুর রহমান ও স্থানীয় গ্রাম প্রধান আলম জানান, আঃ জলিলের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে সম্প্রতি আঃ জলিল ও তার সঙ্গীরা আনিছুরের জমিতে রোপণ করা ধানের চারায় গোপনে বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করে তা পুড়িয়ে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হলে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন স্থানীয় মাতব্বররা। আইনগত ও সামাজিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অভিজ্ঞ সিভিল উকিল এবং গ্রামের প্রবীণদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে আঃ জলিল ও তার সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং ভুক্তভোগী পরিবারসহ সালিশকারীদের হয়রানি করতে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন আঃ জলিল।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাতব্বররা বলেন, গ্রামের শান্তি-শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই তারা শালিসে বসেছিলেন। কিন্তু এভাবে শালিসকারীদের নামেই মিথ্যা মামলা দিয়ে সামাজিক ব্যবস্থা বিনষ্টের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন