সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় গাড়াদহ নদীর ওপর নবনির্মিত সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের ঢালু অংশ নির্মাণের তিন মাস না পেরোতেই বৃষ্টির পানির প্রবল স্রোতে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে হাটিকুমরুল-তারাশ জিসি সড়কের সলঙ্গা গাড়াদহ নদীর ওপর ৩৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ ৬২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি উদ্বোধনের অল্প সময়ের মধ্যেই সংযোগ সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পশ্চিম পাশের ঢালু সংযোগ সড়কে বড় একটি গর্ত তৈরি হয়েছে। গর্তটি ইটের গুড়ো রাবিশ ফেলে সাময়িকভাবে ভরাটের কাজ চলছিল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংযোগ সড়ক নির্মাণে যথাযথ মান বজায় রাখা হয়নি। দায়সারাভাবে মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করায় ভারী বৃষ্টিতে মাটি ধসে গিয়ে পিচসহ রাস্তার একটি অংশ দেবে যায় এবং বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কার না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তবে স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়ক স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়ানো যায়।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় গাড়াদহ নদীর ওপর নবনির্মিত সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের ঢালু অংশ নির্মাণের তিন মাস না পেরোতেই বৃষ্টির পানির প্রবল স্রোতে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে হাটিকুমরুল-তারাশ জিসি সড়কের সলঙ্গা গাড়াদহ নদীর ওপর ৩৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ ৬২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি উদ্বোধনের অল্প সময়ের মধ্যেই সংযোগ সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পশ্চিম পাশের ঢালু সংযোগ সড়কে বড় একটি গর্ত তৈরি হয়েছে। গর্তটি ইটের গুড়ো রাবিশ ফেলে সাময়িকভাবে ভরাটের কাজ চলছিল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংযোগ সড়ক নির্মাণে যথাযথ মান বজায় রাখা হয়নি। দায়সারাভাবে মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করায় ভারী বৃষ্টিতে মাটি ধসে গিয়ে পিচসহ রাস্তার একটি অংশ দেবে যায় এবং বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কার না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তবে স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়ক স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়ানো যায়।

আপনার মতামত লিখুন