ফরিদপুরের সালথায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ -এর আলোচনা সভায় সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামানকে মঞ্চের সামনের সারিতে বসানো নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে সরাসরি যুক্ত থাকা এক ব্যক্তিকে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে সম্মানজনক আসনে বসানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জুলাই আন্দোলনের সংগঠক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সালথা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউএনও দবির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান এবং বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, হুমায়ুন খান, খন্দকার খাইরুল বাশার আজাদ ও আসাদ মাতুব্বরসহ স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা।
স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া ওহিদুজ্জামান ২০১৪ সালে বিএনপির সমর্থনে উপজেলা চেয়ারম্যান হন। তবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন সংসদীয় উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও তার ছেলে আয়মন আকবর বাবলু চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট এক জনসভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এমন কি ২০১৯ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালান তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত থাকা একজন ব্যক্তিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মঞ্চে বিশেষ আসন দেওয়া শহীদদের আত্মত্যাগের সাথে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।
বিতর্কের বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করেন, তিনি কখনো বাস্তবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেননি এবং বর্তমানে কোনো দলের সাথে যুক্ত নন।
অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন জানান, ওহিদুজ্জামান সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সেখানে তিনি বিএনপি নেতাদের সাথেই উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের সালথায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ -এর আলোচনা সভায় সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামানকে মঞ্চের সামনের সারিতে বসানো নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে সরাসরি যুক্ত থাকা এক ব্যক্তিকে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে সম্মানজনক আসনে বসানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জুলাই আন্দোলনের সংগঠক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সালথা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউএনও দবির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান এবং বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, হুমায়ুন খান, খন্দকার খাইরুল বাশার আজাদ ও আসাদ মাতুব্বরসহ স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা।
স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া ওহিদুজ্জামান ২০১৪ সালে বিএনপির সমর্থনে উপজেলা চেয়ারম্যান হন। তবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন সংসদীয় উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও তার ছেলে আয়মন আকবর বাবলু চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট এক জনসভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এমন কি ২০১৯ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালান তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত থাকা একজন ব্যক্তিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মঞ্চে বিশেষ আসন দেওয়া শহীদদের আত্মত্যাগের সাথে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।
বিতর্কের বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করেন, তিনি কখনো বাস্তবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেননি এবং বর্তমানে কোনো দলের সাথে যুক্ত নন।
অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন জানান, ওহিদুজ্জামান সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সেখানে তিনি বিএনপি নেতাদের সাথেই উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন