দৈনিক লাল বার্তা

ধানগড়া বাজারে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনের অভাব: তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন



ধানগড়া বাজারে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনের অভাব: তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ধানগড়া বাজারটি এলাকার অন্যতম প্রধান একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। একটি দ্বিতীয় শ্রেণীর পৌরসভার আওতাধীন এই বাজারে প্রতিদিন শত শত স্থায়ী দোকান ও কাঁচাবাজার বসে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজারে ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ডাস্টবিন নেই। ফলস্বরূপ, যত্রতত্র ফেলা বর্জ্যের স্তূপে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ দেখা দিয়েছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।


পৌর কর্তৃপক্ষের সুব্যবস্থা না থাকায় বাজার এবং এর আশেপাশের এলাকার বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই। উপায় না পেয়ে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে দুটি দোকানের মাঝখানের খালি জায়গা, বাজারের ভেতর দিয়ে যাওয়া রাস্তার পাশ এবং সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী ফুলজোর নদীর তীরে ময়লার স্তূপ করছেন। ভোর থেকে শুরু করে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত সচল থাকা এই বাজারের বর্জ্য পচে চারপাশের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। তীব্র দুর্গন্ধে বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা এবং আশেপাশের আবাসিক বসতবাড়ির বাসিন্দাদের টেকা দায় হয়ে পড়েছে। ফুলজোর নদীর তীরে সরাসরি ময়লা ফেলায় নদীর পবিত্রতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি এর স্বাভাবিক পরিবেশ চরমভাবে বিপন্ন হচ্ছে।


ধানগড়া বাজারের আশপাশে রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ অসংখ্য আবাসিক এলাকা। বাজারের বর্জ্যের উৎকট গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। এছাড়া দূরদূরান্ত থেকে বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষও ময়লার স্তূপ ও দুর্গন্ধের কারণে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, এই জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধানের জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে পৌর কর্তৃপক্ষে বারবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় প্রশাসন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা গুরুত্ব দিচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি ধানগড়া বাজারের ঐতিহ্য রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বাঁচাতে অবিলম্বে বাজারের নির্দিষ্ট স্থানে বা বাইরে ময়লা ফেলার জন্য স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন করা। নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি কার্যকর ব্যবস্থাপনা চালু করা। ফুলজোর নদীর তীর এবং রাস্তার পাশ থেকে জমে থাকা সমস্ত বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


ধানগড়া বাজারে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনের অভাব: তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image


সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ধানগড়া বাজারটি এলাকার অন্যতম প্রধান একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। একটি দ্বিতীয় শ্রেণীর পৌরসভার আওতাধীন এই বাজারে প্রতিদিন শত শত স্থায়ী দোকান ও কাঁচাবাজার বসে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজারে ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ডাস্টবিন নেই। ফলস্বরূপ, যত্রতত্র ফেলা বর্জ্যের স্তূপে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ দেখা দিয়েছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।




পৌর কর্তৃপক্ষের সুব্যবস্থা না থাকায় বাজার এবং এর আশেপাশের এলাকার বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই। উপায় না পেয়ে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে দুটি দোকানের মাঝখানের খালি জায়গা, বাজারের ভেতর দিয়ে যাওয়া রাস্তার পাশ এবং সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী ফুলজোর নদীর তীরে ময়লার স্তূপ করছেন। ভোর থেকে শুরু করে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত সচল থাকা এই বাজারের বর্জ্য পচে চারপাশের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। তীব্র দুর্গন্ধে বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা এবং আশেপাশের আবাসিক বসতবাড়ির বাসিন্দাদের টেকা দায় হয়ে পড়েছে। ফুলজোর নদীর তীরে সরাসরি ময়লা ফেলায় নদীর পবিত্রতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি এর স্বাভাবিক পরিবেশ চরমভাবে বিপন্ন হচ্ছে।


ধানগড়া বাজারের আশপাশে রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ অসংখ্য আবাসিক এলাকা। বাজারের বর্জ্যের উৎকট গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। এছাড়া দূরদূরান্ত থেকে বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষও ময়লার স্তূপ ও দুর্গন্ধের কারণে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।



স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, এই জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধানের জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে পৌর কর্তৃপক্ষে বারবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় প্রশাসন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা গুরুত্ব দিচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি ধানগড়া বাজারের ঐতিহ্য রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বাঁচাতে অবিলম্বে বাজারের নির্দিষ্ট স্থানে বা বাইরে ময়লা ফেলার জন্য স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন করা। নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি কার্যকর ব্যবস্থাপনা চালু করা। ফুলজোর নদীর তীর এবং রাস্তার পাশ থেকে জমে থাকা সমস্ত বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ।



দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা