রাজশাহীর পবা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটায় অত্র উপজেলা সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দশটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ নিজ নিজ থানা এলাকার কর্মকাণ্ড উপস্থাপন করেন। এ সময় তারা বলেন, মাদক দ্রব্য ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে তারা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার অনুরোধ জানান। তারা আরো বলেন, মাদক সেবনকারীদের আটক করলে তাদের নিকট থেকে এক থেকে দুই পুড়িয়া পাওয়া যায়। এটা নিয়ে মামলা দেওয়ারটা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। এজন্য তারা সবাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন।
আইন শৃঙ্খলা কমিটি প্রধান উপদেষ্টা পবা মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল হক মিলন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সবার কথা শোনেন এবং বলেন, মাদক একটি বৈশ্বিক সমস্যা । এই সমস্যা সারা বাংলাদেশেই রয়েছে। এজন্য বর্তমান সরকার মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের শাস্তি প্রদানের জন্য নতুন আইন করেছে। এই আইনে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখা হয়েছে। এখন আর কোন মাদক কারবারি ও সেবনকারীরা সহজেই জামিন পাবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার সবার সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দেশ পরিচালনা করছে। মাত্র পাঁচ মাসে সরকার দেশে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ এবং ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে যা উল্লেখ করেছিলেন তা বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি ও কৃষিকার্ড প্রদান করা শুরু হয়েছে। সেই সাথে নতুন কুঁড়ির মাধ্যমে ২২ লক্ষ্য ছেলে-মেয়েকে খেলার মাঠে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে সংসদ সদস্য আরো বলেন, তার এলাকায় যেখানে মাদকের ব্যবসা করবে সেখানেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে রেট দেওয়ার কথা বলেন। শুধু অভিযান পরিচালনা নয় মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারী যেই হোক তাকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশনা দেন তিনি। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং দলীয় নেতাকর্মীদেরও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, পবা এমন একটি উপজেলা যা রাজশাহী জেলার বাঘা ও বাগমারা উপজেলা বাদে সবার সাথে সংযুক্ত রয়েছে। এ বৃহৎ এলাকার আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সেই সাথে চুরি ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে টহল জোরদার কাবার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, এখন বর্ষা মাস। তিনি যদি অবৈধভাবে পুকুর খনন বন্ধ না করতেন তাহলে নৌকায় চড়ে পবা -মোহনপুরবাসিকে শহরে আসতে হতো। তিনি পুকুর খননের বিরোধী নয়, তবে সেটা অবশ্যই বৈধভাবে করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এজন্য পরিবার থেকে ছোটবেলায় নৈতিক শিক্ষা প্রদান করার পরামর্শ দেন। সেই সাথে ধর্মীয় জ্ঞান দিতে হবে এবং যারা মাদক কারবারি ও সেবনকারী তাদের থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।এরপর তিনি একই স্থানে নিয়মিত মাসিক সভায় অংশগ্রহণ করেন।
পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান। পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহবায়ক সুলতান আহমেদ ও হড়গ্রাম সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
রাজশাহীর পবা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটায় অত্র উপজেলা সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দশটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ নিজ নিজ থানা এলাকার কর্মকাণ্ড উপস্থাপন করেন। এ সময় তারা বলেন, মাদক দ্রব্য ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে তারা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার অনুরোধ জানান। তারা আরো বলেন, মাদক সেবনকারীদের আটক করলে তাদের নিকট থেকে এক থেকে দুই পুড়িয়া পাওয়া যায়। এটা নিয়ে মামলা দেওয়ারটা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। এজন্য তারা সবাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন।
আইন শৃঙ্খলা কমিটি প্রধান উপদেষ্টা পবা মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল হক মিলন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সবার কথা শোনেন এবং বলেন, মাদক একটি বৈশ্বিক সমস্যা । এই সমস্যা সারা বাংলাদেশেই রয়েছে। এজন্য বর্তমান সরকার মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের শাস্তি প্রদানের জন্য নতুন আইন করেছে। এই আইনে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখা হয়েছে। এখন আর কোন মাদক কারবারি ও সেবনকারীরা সহজেই জামিন পাবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার সবার সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দেশ পরিচালনা করছে। মাত্র পাঁচ মাসে সরকার দেশে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ এবং ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে যা উল্লেখ করেছিলেন তা বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি ও কৃষিকার্ড প্রদান করা শুরু হয়েছে। সেই সাথে নতুন কুঁড়ির মাধ্যমে ২২ লক্ষ্য ছেলে-মেয়েকে খেলার মাঠে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে সংসদ সদস্য আরো বলেন, তার এলাকায় যেখানে মাদকের ব্যবসা করবে সেখানেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে রেট দেওয়ার কথা বলেন। শুধু অভিযান পরিচালনা নয় মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারী যেই হোক তাকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশনা দেন তিনি। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং দলীয় নেতাকর্মীদেরও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, পবা এমন একটি উপজেলা যা রাজশাহী জেলার বাঘা ও বাগমারা উপজেলা বাদে সবার সাথে সংযুক্ত রয়েছে। এ বৃহৎ এলাকার আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সেই সাথে চুরি ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে টহল জোরদার কাবার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, এখন বর্ষা মাস। তিনি যদি অবৈধভাবে পুকুর খনন বন্ধ না করতেন তাহলে নৌকায় চড়ে পবা -মোহনপুরবাসিকে শহরে আসতে হতো। তিনি পুকুর খননের বিরোধী নয়, তবে সেটা অবশ্যই বৈধভাবে করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এজন্য পরিবার থেকে ছোটবেলায় নৈতিক শিক্ষা প্রদান করার পরামর্শ দেন। সেই সাথে ধর্মীয় জ্ঞান দিতে হবে এবং যারা মাদক কারবারি ও সেবনকারী তাদের থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।এরপর তিনি একই স্থানে নিয়মিত মাসিক সভায় অংশগ্রহণ করেন।
পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান। পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহবায়ক সুলতান আহমেদ ও হড়গ্রাম সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

আপনার মতামত লিখুন