টানা অতি ভারী বর্ষণ, ভারতের পাহাড়ি ঢলের কারনে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেষা সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের
শ্রীবরদী উপজেলার খড়িকাজির চর ইউনিয়নের গড়পাড়া গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া
মৃগী নদীর দু পাড়ে বসবাসরত গ্রামবাসীরা ঘর বাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। নদী পাড়ে বসবাসরত গ্রামবাসীদের ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় চরম সংকটে পড়েছেন।
এবার শুধু মাটি নয়, মানুষের স্বপ্ন, স্মৃতি আর অস্তিত্বও গিলে খাচ্ছে। প্রতিদিন নদীর বুকে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি, এমনকি পূর্বপুরুষদের বাড়ির ভিটা । নদীর তীব্র স্রোতের সামনে অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে গড়পাড়া গ্রামের দশ থেকে পনেরোটি পরিবার।
ভেঙ্গে যাচ্ছে বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, দোকানপাট, অসংখ্য গাছপালা এবং শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনই নতুন নতুন ঘর বাড়ি ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে পড়ছে। ঘর হারানোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপাড়ের মানুষের।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
টানা অতি ভারী বর্ষণ, ভারতের পাহাড়ি ঢলের কারনে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেষা সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের
শ্রীবরদী উপজেলার খড়িকাজির চর ইউনিয়নের গড়পাড়া গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া
মৃগী নদীর দু পাড়ে বসবাসরত গ্রামবাসীরা ঘর বাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। নদী পাড়ে বসবাসরত গ্রামবাসীদের ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় চরম সংকটে পড়েছেন।
এবার শুধু মাটি নয়, মানুষের স্বপ্ন, স্মৃতি আর অস্তিত্বও গিলে খাচ্ছে। প্রতিদিন নদীর বুকে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি, এমনকি পূর্বপুরুষদের বাড়ির ভিটা । নদীর তীব্র স্রোতের সামনে অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে গড়পাড়া গ্রামের দশ থেকে পনেরোটি পরিবার।
ভেঙ্গে যাচ্ছে বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, দোকানপাট, অসংখ্য গাছপালা এবং শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনই নতুন নতুন ঘর বাড়ি ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে পড়ছে। ঘর হারানোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপাড়ের মানুষের।

আপনার মতামত লিখুন